ভারতের কাছে হেরে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ছিটকে গেছে স্টিভ স্মিথের অস্ট্রেলিয়া। দুবাইতে ভারত সুবিধা পেয়েছে কিনা সেটা বলা কঠিন। তবে অস্ট্রেলিয়া টস জিতে♏ ব্যাটিং নিয়ে যে সেই সুবিধা কাজে লাগাতে পারেনি তা বলাই বাহুল্য। অন্যদিকে টিম ইন্ডিয়া কিন্তু পরে রান তাড়া করতে নেমেও ম্যাচ𝓀 বের করেছে কোহলি, শ্রেয়সদের ঠান্ডা মাথার ইনিংসে ভর দিয়ে।
ম্যাচে হেরে অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক স্মিথ তাই হতাশ। নিজেদের ব্যাটিংয়ের দিকেই আঙুল তুলছেন তিনি। তবে অস্ট্রেলিয়া যখন এই প্রতিযোগিতায় খেলতে এসেছিল, তখন মোটেই তাঁদের কেউ ফেভারিট হিসেবে বেছে নেয়নি। কারণ স্টার্ক, কামিন্স, হেজেলউ𝓡ড, স্টইনিস, মার্শের মতো দলের অধিকাংশ প্রথম একাদশের ক্রিকেটারই ছিলেন না। ম্যাট শর্টের না থাকাও সেমিতে ভোগালো দলকে।
স্টিভ স্মিথ বললেন, ‘বোলাররা খুব ভালো কাজ করেছে। ওরা শু🐟রু থেকে শেষ পর্যন্ত লড়ে গেছে। আমাদের স্পিনাররা চাপ রেখেছিল, তাই খেলা এত দূর পর্যন্ত এসেছে।🐈 শুরুতে ব্যাটিং করার জন্য উইকেটটা একটু ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। শুরুর দিকে স্ট্রাইক রোটেট করার কাজটাও কঠিন হচ্ছিল, এমনিতে ভালোই খেলেছি আজ। স্পিনারদের জন্য এই উইকেটে একটু সুবিধা ছিল, ব্যাস ওইটুকুই। পেসারদের জন্য এই উইকেটটা টু পেসড ছিল ’।
আরও পড়ুন-নাকে কেঁদে লাভ নেই! ভার♒তকে দুবাইয়ে খেলতে হওয়া বাকিদের মতো হইচইয়ে রাজি নন কিউয়িরা
স্টিভ স্মিথ এরপর কার্যত দোষ দেন দলের ব্যাটারদের। ১৫ রান মতো কম উঠেছে বলেই মনে করেন অজি অধিনায়ক। স্মিথের কথায়, ‘ আরও কিছুটা রান করা উচিত ছিল আমাদের। আমরা গুরুত্বপূর্ণ সময় উইকেট হারাতে থাকি। আমরা যদি ২৮০+ রান তুলতে পারলে আজকের খেলাটাই অন্যরকম হয়ে যেতে পারত। বোলিং ইউনিট আজকে খুব ভালো খেলেছে, কিছু ব্যাটাররাও 💝ভালোই পারফরমেন্স করেছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে আমরা দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলেছিলাম। এই দলের অনেক ক্রিকেটারই আগামী দিনে তারকা হয়ে উঠতে চলেছে’।
স্মিথ নিজে করেন ৭৩ রান, তবে তাঁর নিজেরই স্ট্রাইকরেট ছিল ৮০র নিচে। জোশ ইংলিস, গ্লেন ম্যাক্সওয়েল, কুপার কনোলির মতো দ🍰লের বাছাই করা ব্যাটাররা রান না পাওয়াই অজিদের এই হারের কারণ বলে মনে করেন স্মিথ। যদিও ম্যাচ হারলেও বোলারদের পারফরমেন্সে তিনি খুশি তা বোঝা গেল কথা থেকেই। তবে স্পেন্সর জনসনকে বসিয়ে সঙ্ঘাকে খেলানোর সিদ্ধান্ত কতটা ঠিক সেই নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। কারণ সঙ্ঘা ৬ ওভারে দেন ৪১ রান, পাননি একটি উইকেটও। সেদিক থেকে জোরে বোলার বেন ডার্শিস এবং নাথান এলিস পেস বোলিংয়ে ভালোই লড়াই দিচ্ছিলেন।