২০২৫ আইপিএলের উদ্বোধনী ম্যাচে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর কাছে হারলেও, দ্বিতীয় ম্যাচেই জয়ে ফিরল কলকাতা নাইট রাইডার্স। বুধবার গুয়াহাটিতে তারা রাজস্থান রয়্যালসকে ১৫ বল বাকি থাকতে ৮ উইকেটে হারিয়ে দেয়। এই ম্যাচ জয়ের সঙ্গে সঙ্গে পয়েন্ট টেবলে নিজেদের খাতা খুলল অজিঙ্কা রাহানের টিম। তারা ২ ম্যাচ খেলে ২ পয়েন্ট নিয়ে এক লাফে পয়েন্ট টেবলে নয় নম্✱বর থেকে ছয়ে উঠে এল। আর রাজস্থান রয়্যালস থেকে গেল লাস্টবয়🐼 হয়েই।
আইপিএল ২০২৫-এর পয়েন্ট তালিকা
১. সানরাইজার্স হায়দরাবাদ: ১ ম্যাচে ২🥃 পয়েন্ট (নেট রান-রেট +২.২০০﷽)।
২. রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু: ১ ম্যাচে ২ পয়েন্ট (নেট র⭕ান-রেট +২.১৩৭)।
৩. পঞ্জাব🌺 কিংস: ১ 💦ম্যাচে ২ পয়েন্ট (নেট রান-রেট + ০.৫৫০)
৪. চেন্নাই সুপার কিংস: ১ ম্যাচে ২ পয়েন্ট (নেট রান-ꩲরেট +০.৪৯৩)।
৫. দিল্লি ক্যাপিটালস: ১ ম♉্যাচে ২ পয়েন্ট (নেট রান-রেট💙 +০.৩৭১)।
৬. কলকাতা নাইট রাইডার্স: ২ ম্যাচে ২ পয়েন্ট (নেট রান-রেট -০.🦩💫৩০৮)।
৭. লখনউ সুপার জায়ান্টস: ১ ম্যাচে ০ পয়েন্ট (নেট র𝕴ান-রেটꦕ -০.৩৭১)।
৮. মুম্বই ইন্ডিয়ান্𓆏স: ১ ম্যাচে ০ পয়েন্ট (নেট রান-রেট -০.৪৯৩)।
৯. গুজরাট টাইটান্স: ১ ম্যাচে ০ পয়ে🥀ন্ট (নেট রান-༺রেট -০.৫৫০)
১০. রাজস্থা🍸ন রয়্যালস: ২ ম্যাচে ০ পয়েন্😼ট (নেট রান-রেট -১.৮৮২)।
রাজস্থান রয়্যালস বনাম কলকাতা নাইট রাইডার্স ম্যাচের ছবিটা কেমন ছিল?
বুধবার ২০২৫ আইপিএলে নিজেদের হোম ম্যাচ রাজস্থান খেলতে নেমেছিল গুয়াহাটিতে। কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে সেই ম্যাচে তাদের ব🥂্যাটিং চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ হয়। এদিন টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। তবে শুরু থেকেই একটু যেন নড়বড়ই করছিল রাজস্থানের ব্যাটিং অর্ডার। চূড়ান্ত হতাশ করেন সঞ্জু স্যামসন। তিনি ওপেন করতে নেমে ১১ বলে ১৩ করেই সাজঘরে ফেরেন। এর পর দ্বিতীয় উইকেটে আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং তিনে নেমে রিয়ান পরাগ কিছুটা হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই জুটিও বেশীক্ষণ স্থায়ী হয়নি। তাঁরা জুটিতে ৩৪ রান করার পরেই, আউট হয়ে যান রাজস্থানের স্টপগ্যাপ অধিনায়ক রিয়ান পরাগ। তিনটি ছয়ের হাত ধরে ১৫ বলে ২৫ করে কুইন্টন ডি'কককে ক্য🐽াচ দেন।
রিয়ানের পিছন পিছনই সাজঘরে ফেরেন যশস্বীও। ২টি করে চার এবং ছয়ের হাত ধরে ২৪ বলে ২৯ করেছিলেন তিনি। এরপর টানা উইকেট হারাতে থেকেছে রাজস্থান রয়্যালস। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৪), নীতিশ রানা (৮), শুভম দুবে (৯), শিমরন হেতমায়ের (৭)- কেউই এক অঙ্কের গণ্ডি টপকাতে পারেননি। ছয়ে নেমে ধ্রুব জুরেল কিছুটা লড়াই করেছিলেন। ২৮ বলে ৩৩ রান করেন তিনি।🌸 তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার। জুরেলের কারণেই কিন্তু রাজস্থান রয়্যালস ১৫০ রানের গণ্ডি টপকাতে সক্ষম হয়। লোয়ার অর্ডারে নয়ে নেমে জোফ্রা আর্চার ২টি ছক্কার সৌজন্যে ৭ বলে ১৬ রান করেছিলেন। মজার বিষয় হল, রিয়ান পরাগের নেতৃত্বাধীন দল পাওয়ারপ্লেতে ৫৪ রান করে ফেলেছিল। কিন্তু ২০ ওভারে তারা ৯ উইকেট হারিয়ে করে মাত্র ১৫১ রান। কেকেআর-এর হয়ে ববরুণ চক্রবর্তী, মইন আলি, বৈভব আরোরা, হর্ষিত রানা নিয়েছেন ২টি করে উইকেট। স্পেনসর জনসন ১ উইকেট নিয়েছেন।
আরও পড়ুন: দ্রাবিড়ের পথে হেঁটে সহকর্মীদের চেয়ে বেশি বোনাস নিতে অস্বীকার করবেন গৌতি? প্♊রশ্ন গাভাসকরের
জয়ের জন্য ১৫২ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা প্রত্যাশা মতো করতে পারেনি কেকেআর। তবু জয় পেতে সমস্যা হয়নি। সুনীল নারিনের অনুপস্থিতিতে কুইন্টন ডি'ককের সঙ্গে বুধবার ওপেন করতে নামেন মইন আলি। কিন্তু বিশেষ সুবিধা করতে পারেননি তিনি। প্রথম ওভারে একটি বলও ব্যাটে লাগাতে পারেননি। ১২ বলে ৫ করে রান-আউট হয়ে যান মইন। এর পর তিনে ব্যাট করতে আসেন কেকেআর অধিনায়ক রাহানে। প্রথম ম্যাচের মতোই আগ্রাসী মেজাজে শুরু করলেও, বড় রান পাননি তিনি। ১৫ বলে ১৮ করে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তবে ডি'কক কিন্তু একদিকের হাল ধরে রেখেছিলেন। ৭০ রানে ২ উইকেট হারানোর পর, ত🔯াঁর সঙ্গে জুটি বাঁধেন অংকৃশ রঘুবংশী। ডি'কক আর রঘুবংশী মিলেই দলকে পৌঁছে দেন জয়ের দরজায়। ডি'কক ৬১ বলে ৯৭ করে অপরাজিত থাকেন। ৩ রানের জন্য সেঞ্চুরি মিস করলেন দক্ষিণ আফ্রিকার উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। তাঁর ইনিংস সাজানো ছিল ৮টি চার এবং ৬টি ছক্কায়। অন্য দিকে, রঘুবংশী অপরাজিত থাকলেন ২টি চারের সাহায্যে ১৭ বলে ২২ রান করে। রাজস্থানের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা।