প্রথম ম্যাচে জিতলেও আইপিএল ২০২৫র দ্বিতীয় ম্যাচেই লখনউ সুপার জায়ান্টের কাছে ধাক্কಞা খেল প্যাট কামিন্সের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ দল। প্রথম ম্যাচে ২৮৬ রান তোলার পর এলএসজির দুর্বল বোলিং লাইন আপের বিরুদ্ধেও হায়দরাবাদ দল বুঝি ৩০০ রান করবে, এমনই ভাবসাব ছিল অনেকের। যদিও আসল সময় জ্বলে উঠলেন এলএসজি বোলাররা, তাতেই ঘরের মাঠে নাক কাটা গেল এসআরএইচের।
প্যাট কামিন্সকে টস-র সময়ই ঋষভ পন্ত কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়ে বলেছিলেন, যত রানই আজ সানরাইজার্স হায়দরাবাদ করবে, তার দল সেটা চেজ করতে তৈরি। পন্তের এলএসজি যে এত আটঘাট বেঁধে নেমেছিল, সেটা🐻 হয়ত কামিন্সরা শুরুর দিকে বুঝতে পারেননি। তবে সময় গড়াতেই শার্দুল, প্রিন্সরা বুঝিয়ে দিলেন তাঁরা কিন্তু একদম হেলা ফেলা করার পাত্র নন।
২০-৩০ রান বেশি করলে ম্যাচ জমজমাট হত
প্যাট কামিন্স অবশ্য ব্যাট হাতে যদি আর কিছু বল খেলে দিতে পারতেন, তাহলে মানসিক দিক থেকে এলএসজিকে চাপে ফেলে দিতে পারতেন। কারণ তিনি পরপর তিনটি ছয় মারার পর চতুর্থ বলে আউট হন। আর সানরাইজার্স করে ২০ ওভারে ১৯০ রান। এই রানটাই যদি ২২০ ছুঁয়ে যেত, তাহলে কিন্তু অনেকটাই এলএসজিকে চাপে ফেলতে প꧒ারত কামিন্সের দল। প্রথম হারের পর তাই কিছুটা হলেও হতাশ গতবারের ফাইনালিস্টরা।
লখনউ বোলিংয়ের প্রশংসায় কামিন্স
ম্যাচ শেষে কা𓆏মিন্স বললেন, ‘আগের দিনের থেকে কিন্তু আজকের উইকেট অনেকটা আলাদা ছিল, তবে আমাদের এখানেও দ্রুত রান তুলতে 🐲হত। ওরা ভালো ব্যাটিং করেছে। তবে আজকের উইকেটটাও বেশ ভালো ছিল। একটু থেমে থেমে যাচ্ছিল বটে, কিন্তু পিচ যথেষ্ট ভালো ছিল। বিশ্বের দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ উইকেট বলা যায়। ওরা ভালোই বোলিং করেছে আজ। অনেক প্ল্যানিং করেই এসেছিল, সেটা ওদের খেলায় ধরা পড়েছে ’।
মুভ অন করতে হবে
কামিন্স আরও বলেন, ‘ ওদের বোলিংয়ের বিরুদ্ধে ১৯০ রান করাটাও আমাদের ব্যাটারদের ✱ভালো পজিটিভ দিক। সব সময়ই একজন ব্যাটারকে দরকার লাগে যে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত খেলবে, যেমন ইশান কিষান আগের দিন করেছিল, তবে আজ এলএসজি ভালো বোলিং করেছে। আমাদের কোনও সুযোগই দেয়নি। আমাদের দলে কিন্তু ৮জন ব্যাটার রয়েছে, তাই আমাদের কাজ ছিল ব্যাট হাতে ম্যাচে ছাপ রাখা। হয়ত কিছু বিষয় আমরা আরও ভালো করতে পারতাম, তাহলে ফলাফল অন্যরকম হতে পারত। এটা দীর্ঘ একট꧑া প্রতিযোগিতা, তাই আমরা দ্রুত ফের সুযোগ পাব। তাই এই হার থেকে আমাদের মুভ অন করতে হবে’।