কলকাতা নাইট রাইডার্সের বোলারদের দাপটে ১৫১ রানেই শেষ হয়ে গেল রাজস্থান রয়্যালসের ইনিংস। বুধবার ২০২৫ আইপিএলে নিজেদের হোম ম্যাচ রাজস্থান খেলতে নেমেছিল গুয়াহাটিতে। সেই ম্যাচে তাদের ব্যাটিং চূড়ান্ত ভাবে ব্যর্থ হয়। ৩৫ রানও করতে পারেননি র♋াজস্থান রয়্যালসের কোনও ব্যাটার। আর ব্যাটিংয়ের ভরাডুবিতে বোলারদের চার চার গꦿুণ বেড়ে গেল।
রাজস্থান 🐓অবশ্য এর চেয়েও কম স্কোর ডিফেন্ড করে ম্যাচ জিতেছে। তারা ২০২২ আইপিএসে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে ১৪৪ রান ডিফেন্ড করে ম্যাচ জিতেছিল। এছাড়াও ২০১৩ সালে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধেও তারা ১৪৪ রক্ষা করে ম্যাচ পকেটে পুড়েছিল। ২০০৯ সালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে আবার ১৪৫ রান ডিফেন্ড করে ম্যাচ জিতেছিল রাজস্থান। এবার পারবে, নাইটদের ১৫১ রানের মধ্যে আটকাতে?
আরও পড়ুন: শুভমনের ডেরায় দাদাগিরি শ্রেয়সে🐟র, আমেদাবাদের মাঠে সর্বোচ্চ স্কোরের নজ💝ির গড়ে GT-কে হারাল PBKS
এদিন টস জিতে রাজস্থানকে ব্যাট করতে পাঠান কেকেআর অধিনায়ক অজিঙ্কা রাহানে। তবে এদিন শুরু থেকেই একটু যেন নড়বড়ই করছিল রাজস্থানের ব্যাটিং অর্ডার। চূড়ান্ত হতাশ করেন সঞ্জু স্যামসন। তিনি এদিন ১১ বলে ১৩ করেই সাজঘরে ফেরেন। ৩.৫ ওভারে দলের ৩৩ রানের মাথায় আউট হন সঞ্জু। এর পর দ্বিতীয় উইকেটে আর এক ওপেনার যশস্বী জয়সওয়াল এবং তিনে নেমে রিয়ান পরাগ কিছুটা হাল ধরার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সেই 🐬জুটিও বেশীক্ষণ স্থায়ী♛ হয়নি। তাঁরা জুটিতে ৩৪ রান করার পরেই আউট হয়ে যান রাজস্থানের স্টপগ্যাপ অধিনায়ক রিয়ান পরাগ। তিনটি ছয়ের হাত ধরে ১৫ বলে ২৫ করে কুইন্টন ডি'কককে ক্যাচ দেন।
রিয়ানের পিছন পিছনই সাজঘরে ফেরেন যশস্বীও। ২টি করে চার এবং ছয়ের হাত ধরে ২৪ বলে ২৯ করেছিলেন তিনি। এরপর টানা উইকেট হারাতে থেকেছে রাজস্থান রয়্যালস। ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৪), নীতিশ রানা (৮), শুভম দুবে (৯), শ🀅িমরন হেতমায়ের (৭)- কেউই এক অঙ্কের গণ্ডি টপকাতে পারেননি। ছয়ে নেমে ধ্রুব জুরেল কিছুটা লড়াই করেছিলেন। ২৮ বলে ৩৩ রান করেন তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার। জুরেলের কা♓রণেই কিন্তু রাজস্থান রয়্যালস ১৫০ রানের গণ্ডি টপকাতে সক্ষম হয়।
লোয়ার অর্ডারে নয়ে নেমে জোফ্রা আর্চার ২টি ছক্কার সৌজন্যে ৭ বলে ১৬ রান করেছিলেন। খারাপ সময়ে💦 এটিও গু��রুত্বপূর্ণ সংযোজন। তবে মজার বিষয় হল, রিয়ান পরাগের নেতৃত্বাধীন দল পাওয়ারপ্লেতে ৫৪ রান করে ফেলেছিল। কিন্তু ২০ ওভারে তারা ৯ উইকেট হারিয়ে করে মাত্র ১৫১/৯ করতে পারে।
কেকেআর-এর সবচেয়ে সফল বোলার বরুণ চক্রবর্তী। তিনি ♒৪ ওভারে ১৭ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন। ৪ ওভারে ২৩ রান দিয়💛ে ২ উইকেট নেন মইন আলি। বৈভব আরোরা ৩ ওভারে ৩৩ রান দিয়ে ২ উইকেট নিয়েছেন। হর্ষিত রানা আবার ৪ ওভারে ৩৬ রান দিয়েছেন। নিয়েছেন ২ উইকেট। সবচেয়ে বেশি রান দিয়েছেন স্পেনসর জনসন। তিনি ৪ ওভারে ৪২ রান দিয়ে ১ উইকেট নিয়েছেন।