💙 প্রেমের মাসেই দুই পক্ষের পরিবারের উপস্থিতিতে আইনি বিয়ে সেরেছেন অনন্যা গুহ এবং সুকান্ত কুন্ডু। ধুমধাম করে হয়েছে বাগদানের অনুষ্ঠানও। বহুদিন ধরে পরিকল্পনা করে এই বিশেষ দিনটির আয়োজন করেছিলেন দুজনে। কিন্তু একি! আইনি বিয়ের মাস ঘুরতে না ঘুরতেই সম্পর্কে চিড় ধরল তাঁদের? অশান্তি চরমে পৌঁছেছে? ব্যাপার কী? এদিন একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে বাগদত্তার আচরণ তুলে ধরলেন সুকান্ত।
আরও পড়ুন: 🎉আড়াই বছরের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে মায়ের স্বপ্নপূরণ শুভস্মিতার! কী করলেন ‘হরগৌরী পাইস হোটেল’র ‘ঐশানী’?
কী ঘটেছে?
💖এদিন একটি ভিডিয়ো প্রকাশ্যে এসেছে সেখানেই দেখা যাচ্ছে সুকান্তর কাছে অনন্যা একটি নেকলেস চাওয়ায় তিনি বলেন যে পরের মাসের স্যালারি পেলে কিনে দেবেন। সেটা শুনেই রেগে যান অভিনেত্রী। সটান জানিয়ে দেন যে তাঁর নেকলেস চাই না। তিনি এও বলেন যে তাঁর কী দেখে সুকান্তর মতো একটা 'ভিখিরি ছেলে'র সঙ্গে বিয়ে দিলেন কে জানে? এটাও বলতে ছাড়েন না যে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ তাঁরা রাস্তায় সিগন্যাল থেকে উপার্জন করেন তাঁরাও নাকি ভালো তাঁর স্বামীর থেকে। এই সমস্ত কথায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন সুকান্ত। শুধুই কি তাই, চা গরম করে দেওয়ার কথা বলতেই অনন্যা তাঁকে পাল্টা কথা শোনায়, শুনিয়ে দেয় যে তাঁর বাড়ির লোক নাকি অভিনেত্রীর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। কী ভাবছেন এসব সত্যি? না। বাস্তবে মোটেই ঝগড়া হয়নি অনন্যা এবং সুকান্তর। এই সমস্ত কিছুই ঘটেনি। যা ঘটেছে সেটা নিছক অভিনয়। বলা ভালো বার্তা দিতে।
𒊎হইচই ওয়েব মাধ্যমে আসছে লজ্জা ২। তার আগে এই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে যে সংসারে কেবল মহিলারা নন, পুরুষরাও অত্যাচারের শিকার হন। সে মানসিক হোক না শারীরিক। কিন্তু সেই বিষয়ে তেমন ভাবে কেউ কথা বলেন না।
🅠প্রসঙ্গত অনন্যা গুহকে দর্শকরা বর্তমানে মিত্তির বাড়ি ধারাবাহিকে দেখতে পাচ্ছেন। অন্যদিকে সুকান্ত পেশায় আইটি কর্মী। একই সঙ্গে তিনি বাংলার অন্যতম জনপ্রিয় ভ্লগার।