এবারেও জমজমাট ‘ডান্স বাংলা ডান্স’-এর মঞ্চ। একে পর এক প্রতিযোগীর চোখ ধাঁধানো পারফরম্যান্সে কেবল দর্শকরা নন মুগ্ধ বিচারকরাও। পূজা হালদার থেকে পরী, সায়ন্তী সকলের নাচ বর্তমানে চর্চা। তাঁদের সঙ্গে জ♉ুড়েছে ত্রপোমানার নামও। তবে কেবল তাঁর নাচ নয়, তাঁর এক্সপ্রেশন দেখেও আপ্লুত বিচারকরা। এ ক্ষেত্রে যিশু সেনগুপ্তর কথা আলাদা করে বলতে হয়। তিনি ত্রপোমানার এক্সপ্রেশনে এতটাই মুগ্ধ যে তাঁকে ছবি করার অফার দিয়ে বসলেন। জি বাংলার পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে এল ভিডিয়ো।
ভিডিয়োয় কী দেখা গিয়েছে?
জি বাংলার শেয়ার করা ভিডিয়োয় দেখা গিয়েছে। পুরুলিয়ার মুন্সেফডাঙ্গা মেয়ে ত্রপোমানা, নাচ তো বটেই তবে বিশেষ করে তাঁর এক্সপ্রেশনে মুগ্ধ যি💞শু। তিনি ত্রপোমানার এক্সপ্রেশনে এতটাই মুগ্ধ যে, প্রতিযোগীকে তাঁর সঙ্গে ছবি করার প্রস্তাব দিয়ে বসেন। তবে তিনি প্রয꧅োজক নন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে বিচারক আসনে থাকা শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, কৌশানী মুখোপাধ্যায় এবং অঙ্কুশ হাজরা তিনজনই ছবি প্রযোজনা করেছেন।
আরও পড়ুন: হাতে চোট, মুখ ভর্ত🥃ি দাড়ি, বাইকের পিছনে দক্ষিণী সুন্দরীকে নিয়ে উত্তরবঙ্গে কার্তিক! কী হল হঠাৎ?
তাই তাঁদের উদ্দেশ্যে নায়ক বলেন, ‘আমি তো প্রযোজক নই। এখানে বসে আছেন অঙ্কুশ হাজরা, শুভশ্রী, কৌশানী ওঁরা তিনজন প্রযোজক। ওঁদের কেও বলে রাখি যদি কোনও💎 দিন সময় সুযোগ আসে, যদি কোনও চিত্রনাট্য থাকে তাহলে তোমার সঙ্গে কাজ করব। আমার তোমার সঙ্গে কাজ করতে খুব ভালো লাগবে। কারণ নাচ তো বটেই, তাছাড়াও তোমার এক্সপ্রেশন অপূর্ব। আমার অবশ্যই অভিনেতা হিসেবে তোমার সঙ্গে কাজ করতে খুব ভালো লাগবে।’ যিশুর মুখে এত প্রশংসা শুনে স্বাভাবিক ভাবেই খুব আনন্দিত হয়ে পড়েন ত্রপোমানা।
তবে তারপর অঙ্কুশ তাঁর স্বভাবোচিত ভঙ্গিতে মজা করে মিঠুন চক্রবর্তীকে ডেকে বলেন, ‘আমি গল্পও ভেবে নিয়েছি এম জি (মহাগুরু)।’ তারপর তিনি বলতে শুরু করেন তাঁর ছবির গল্প। অঙ্কুশ বলেন, ‘ত্রপোমানা আর যিশুদার মিলন হয়ে যাবে। তারপর তুমি আসবে (মিঠুনকে উদ্দেশ্য করে বলেন), তুমি ভিলেন, তুমি আটকাবে।’ এইসব শুনে অঙ্কুশের কথার মাঝেই মিঠুন বলে ওঠেন, ‘আমি নেই।’ কিন্তু সেদিকে খুব একটা কর্ণপাত না করেই ♉অঙ্কুশ বলেন, ‘তারপর আমি এসে তোমায় বলব এই ওরম করে না। ও আমায় দেখে মুগ্ধ হয়ে আমার সঙ্গে চলে যাবে।’ তাঁর এই কথা শুনে দর্শক থেকে বিচারক সবাই হেসে ওঠেন। শেষ মিঠুনও মজা ছলে, রাগের ভঙ্গি করে, তাঁর জনপ্রিয় ছবি 'ফাটাকেষ্ট'-এর সংলাপের অনুকরণ করে বলেন, ‘মারব এখানে, পড়বি সেখানে সেখানে।’