ইদে সকলের কাছে 'সিকন্দর' হয়ে হাজির হতে চলেছেন সলমন। ৩০ মার্চ মুক্তি পাচ্ছে 'ভাইজান'-এর ছবি। আপাতত এই ছবি ঘিরে সলমন অনুরাগীদের মধ্যে উত্তেজনা তাই তুঙ্গে। ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে অগ্রিম টিকিট বুকিং। প্রথম দিনেই ছবি দেখতে অনেকের মধ্যেই টিকিট কেটে রাখার হিড়িক পড়ে গিয়েছে। তবে এরই মধ্যে সলমনকে নিয়ে ব⛎েশকিছু কিছু অভিযোগ উঠে এসেছে। যেগুলি কꦗানে গেছে খোদ ভাইজানেরও।
আর তাঁকে নিয়ে এধরনের অভিযোগে কিছুটা হলেও ক্ষুব্ধ সল্লু। সংবাদমাধ্যমের সামনেই তিনি তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগের জবাব দিয়েছেন। অভিযোগগুলি ঠিক 🔯কী, উত্তরে ঠিক কীই বা💟 বলেছেন সলমন?
সলমন বলেন, 📖‘আমার সেটে সবসময় দেরিতে আসি, কাজ নিয়েও নাকি সিরিয়াস নই, এসব নিয়ে অনেক লোকে অনেক কথা বলেন। আমি ১০০ টিরও বেশি ছবি করেছি, আমার সিনিয়র অভিনেতাদের ছাড়া অন্য যে কোনও কারও চেয়ে বেশি। আমি যদি ক্রমাগত দেরি করে আসি বা তাড়াতাড়ি চলে যাই তবে এটা করা সম্ভব হত না। আমি আমার কাছের ক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ শৃঙ্খলাপরায়ণ, সময় আমার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’
সলমনের কথায়, ‘প্রত্যেক অভিনেতার নিজের মতো করে কাজের নিয়ম থাকে। কিছু লোক সকাল ৬ টায় কাজ শুরু করেন, আমি ১১:৩০-১২ টার দিকে শুরু করি কারণ আমার আরও অনেক কাজ থাকে, যেমন অনেক কাগজপত্রে সই করার থাকে, ফোন করা এবং ওয়ার্কআউট করা। তারপর কাজ শেষে আমাকে ফিরে যেতেও হবে, বিশ্রাম নিতে হবে, কফি খেতে হ🍨বে এবং দৃশ্যগুলি ঝালিয়ে নি। ও (রশ্মিকা) জানে যে একবার আমি সেটে পৌঁছালে, আমি ভ্যানে ফিরে যাই না এমনকি চেয়ারেও কোমর ঠেকাই না। তারা যেখানে কাজ করি, প্রয়োজন সেখানেই একটা তাঁবু খাটিয়ে দেওয়া হয়। আমি সেখানেই থাকি।’
সলমনের আফসোস, তাঁর সম্পর্কে ভুল কথা রটানো হচ্ছে। তিনি দেরিতে আসেন, সেটা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। তবে সেটে পৌঁছলে তিনি যে আর বসেন না, সেটা নিয়ে কেউ কথা বলছেন না। ভাইজানের কথায়, তাঁর নামে এধরনের গুজব ছড়ানো হচ্ছে, একথা তাঁর নাকি জানাও ছিল না। লোকে এধরনের কথা বিশ্বাসও করে নিচ্ছেন। আমি কত পরিশ্রম করছ🤪ি, স্টান্ট করছি, সেদিকে কেউ দেখছেন না। লোকে ভাবছেন, আমি চিত্রনাট্যকারের ছেলে, তাই সহজেই বোধহয় কাজ পেয়েছি।
সলমনের কথায়,🌌 সহমত প্রকাশ করেন নায়িকা রশ্মিকা মান্দানাও। তিনি বলে💃ন, কাজের আগে সল্লুকে নিয়ে এমনই নানান ভুল কথা তিনি শুনেছিলেন। তবে 'সিকন্দর'-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁর সেই ধারণ ভেঙে গিয়েছে।