এবারের সারেগামাপায় বড়দের মধ্যে প্রথম হয়েছেন মদনপুরের দেয়াশিনী রায়। এই রিয়েলিটি শোয়ে বিজয়ী হওয়ার পর এদিন তিনি তাঁর স্কুলে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। ৫ বছর পর স্কুলে ফিরে রী𝔉তিমত নস্টালজিক হয়ে পড়েন দেয়াশিনী।
আরও পড়ুন: জীবনের ‘অবসেশন’-এর সঙ্গে আলাপ করালেন মিঠিঝোরার রাই! কার জন্য আরাত্রিকা লিখলেন, 'যাকে ছাড়া আমার জীবন…'?
আরও পড়ুন: ‘রঘু ড൩াকাত’-এ ধরা দেওয়ার আগে 'গুন্ডাগিরি' অনির্বাণের! 'হুলিগানিজম' করে কী ঘটাল তাঁর দল?
কী ঘটেছে?
এদিন দেয়াশিনী যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন তাঁর স্কুলে যাওয়ার সেখানে শুরুতেই দেখা যাচ্ছে তিনি যখন স্কুলে ঢুকছেন তখন গোটা স্কুল, এবং সেখানকার বর্তমান ছাত্রীরা উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন। তাঁকে পুষ্পবৃষ্টির মাধ্যমে বরণ করা হয়। এ🧸রপর তাঁকে তাঁর শিক্ষিকারা উত্তরীয় পরিয়ে বরণ করে নেন। বর্তমান ছাত্রীদের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান সারেগামাপা বিজ🌄য়ী। বাদ যায়নি ঘরের মেয়ের সাফল্যের পর তার থেকে অটোগ্রাফ নেওয়া। গুচ্ছ গুচ্ছ খাতায় সই করে দেন। আর সেই স্মৃতি হাতড়ে তিনি এদিন লেখেন, ' আমার স্কুল মদনপুর KAV গার্লসে প্রায় ৫ বছর পর গিয়ে ভীষণ নস্টালজিক হয়ে পড়লাম। আমায় সংবর্ধনা দেওয়া হোক। আর এত্ত এত্ত ভালোবাসা, আদর প্রাপ্তি হল সব ম্যাম এবং ছাত্রীদের থেকে।'
তিনি এদিন ভিডিয়োতেও জানান ৫ বছর পর স্কুলে ফিরে তিনি নস্টালজিক হয়ে পড়েন। বলেন, 'সমস্ত ম্যামেরা এত খুশি ছিলেন আমায়✨ দেখে, সব ছাত্রীরাও এত উত্তেজিত ছিল যে কী বলি! আমার শিক্ষিকারা আমায় নিয়ে যে গর্বিত বোধ করছিলেন সেটা দেখে আমি জাস্ট প্রচণ্ড আবেগঘন হয়ে পড়ি। আনন্দ পেয়েছিলাম খু𒁏ব।'
তিনি এদিন আরও বলেন, 'ওরা সবাই গুচ্ছ ধরে খাতা দিয়ে দেয় আমার অটোগ্রাফ নেওয়ার𒁏 জন্য। আমি জানি না আমি এসবের যোগ্য কিনা। কিন্তু সবাইকে ধন্যবাদ আমায় এত ভালোবাসা দেওয়ার জন্য।' প্রসঙ্গত দেয়াশিনী এই স্কুলেই ক্লাস ৫ থেকে ১০🧜 পর্যন্ত পড়েছেন।
আরও পড়ুন: ঋতুপর্ণার জীবন 'প্রেসার কুকার'-এর মতো! হঠাৎ কেন এমন উপলব্ধ🍰ি 'পুরাতন' অভিনেত্রীর?
দেয়াশিনীর এই পোস্টে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। এক ব্যক্তি লেখেন, 'সুখের স্মৃতিগুলো থেকে যাক, এই এক পরম পাওনা, এর মূল্য অনেক।' আরেকজন লেখেন, 'সত্যিই এই অনুভূতি ভাষায় বলে বোঝানো যায় না। খুব ভালো থা🐠কুন।' তৃতীয় ব্যক্তি লেখেন, 'সবাই তো মনে রাখে না তুমি মনে রেখেছ, তুমি খুব ভালো মনের মানুষ। সুস্থ থাকো ভালো থাকো আরও এগিয়ে যাও এই ভগবানের কাছে চাই।'