স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে আগামীতে দেখা যাবে দুর্গাপুর জংশন ছবিতে। আর তার আগে একটি বিশেষ জিনিসের কথা জানালಌেন অভিনেত্রী। জানালেন তাঁর প্রতিটি কাজ🍃ে মায়ের ছোঁয়া রাখতে একটি জিনিস করে থাকেন তিনি। কী? তাঁর মায়ের শাড়ি বা সাজের ছোঁয়া রাখেন নিজের সঙ্গে। আর কী জানালেন?
আরও পড়ুন: বেবি বাম্প 🐬ঢাকতে ওভারসাইজড টিশার্ট! সন্তান♊ের 'আবদার' বুঝে কোথায় গেলেন অহনা?
আরও পড়ুন: টিমটিম করছে সিকান্দরের দꦑাপট! বুধবার ১০ কোটিও পেরোল না আয়, ৪ দিনে কত কোটির ব্যবসা করল সলমনের ছবি?
কী লিখলেন স্বস্তিকা?
এদিন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় দুর্গাপুর জংশন ছবিটির শ্যুটিংয়ের সময়ে তোলা বেশ কিছু পোস্ট করেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে তাঁকে একটি সবুজ তাঁতের শাড়ি পরে থাকতে দেখা যাচ্ছে যেখানে রয়েছে ভরাট সুতোর কাজ। এই ছবিগুলো শেয়ার করে স্বস্তিকা লেখেন, 'আমার কেরিয়ারের শুরু টিভি দিয়ে। তারপর আস্তে আস্তে সিনেমায় পদার্পণ। সেই দেবদাসী সিরিয়াল থেকে মায়ের শাড়ি পরা শুরু। ২৫ বছর আগে স্টাইলিস্টের চল ছিল না। তখন মা-ই সবচেয়ে বড় স্টাইলিস্ট। সে সময় ইন্ডাস্ট্রিতে🐲 আমাদের সবার জামাকাপড়, জুতো, মোজা, মানে চরিত্রের লুক অনুযাই যা লাগত সব আসত আমাদের বিভিন্ন ড্রেসারদের গোডাউন থেকে। এখনও হিরো হিরোইন ছাড়া সব তাদের কাছ থেকেই আসে। তারা না থাকলে কাজ লাটে উঠবে। যাই হোক, ড্রেসারদের স্টক খুবই ভালো হত কিন্তু আমার মায়ের স্টক অভিয়াসলি পৃথিবীর মধ্যে সেরা। বড়💛 হওয়ার সঙ্গে নিজেরও সবচেয়ে বেশি ভালো লাগে শাড়ি পরতে তাই মায়ের স্টকের সঙ্গে যোগ হতে লাগল আমারগুলোও।'
তিনি এদিন আরও জানান, তাঁর বোন একটা সময় পর্যন্ত তাঁর স্টাইলিং করে দিতেন। সেই বিষয়ে অভিনেত্রীর কথায়, 'আমার বোন তখন বম্বেতে চাকরি করছে। বাড়ি ফিরে আসবে আসবে বাই উঠতে না উঠতেই ওমা কলকাতায় ফিরে আমার স্টাইলিস্ট হয়ে কাজ শুরু করল। বাড়িতে যা খনি ছিল/আছে তার বাইরে গিয়ে অন্য কোথাও থেকে খুব একটা জিনিসপত্র সোর্স করার দরকার পড়ত না, এখনও পড়ে না। ২০২০ তে তাসের ঘর অব্দি যা কাজ করেছি সবই বোনের স্টাইলিং করা। তারপর ও কালর্স টিভি জয়েন করাতে আবার নতুনদের সঙ্গ🔯ে কাজ করা শুরু করলাম। আমাদের দুই বোন এরই সাজগোজ সবই মায়ের থেকে শেখা। মা চলে যাওয়ার পর, মায়ের মতোই হতে হবে পুরোটা, এটা একটা জেদে পরিণত হল। আমাদের দু বোনের প্রায় একটা কম্পেটিশন চলে সারাক্ষণ কাকে বেশি মায়ের মতো লাগছে সেই নিয়ে।' স্বস্তিকা এদিন পরিশেষে বলেন, 'আরও একটা জিনিস হল মা চলে যেতে আমি আমার সব কাজে, সব চরিত্রে মায়ের কিছু না কিছু ছোঁয়া রাখা শুরু করলাম। মায়ের শাড়ি, শাঁখা-পলা, রুপো-ইমিটেশনের গয়না, যাকে আজকাল আমরা বলি কস্টিউম জুয়েলারি, কুরুশের পাড় বসানো পেটিকোট, পুরনো টিপের পাতারগুচ্ছ থেকে পাওয়া টিপ। চরিত্র অনুযায়ী যখন যেটা পারি আমার সঙ্গে মাও একটু কাজগুলোতে লেপ্টে রয়ে যাবে এই আশায়। আমার নতুন কাজ, নতুন ছবি দুর্গাপুর জংশন। চরিত্রে শাড়ি চাই, ব্যাস সুযোগ মতো মায়ের আলমারিতে হামলা। অনেক পুরনো একটা শাড়ি খুঁজে পেলাম, সুতোর কাজ করা, যেটা আগে কখনও পরা হয়নি, বের করে শুটিংয়ে পরলাম।'
মেয়ের উপহার
সম্প্রতি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে তাঁর পছন্দের একগুচ্ছ সাদা লিলি উপহার হিসেবে পাঠিয়েছেন তাঁর মেয়ে। সেই ফুল এবং আদরের পোষ্যর সঙ্গেও বেশ কিছ🔜ু ছবি এদিন সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।
স্বস্তিকা এই ছবিগুলো শে🃏য়ার করে লেখেন, 😼'মাম্মা, অন্বেষা আমার পছন্দের সাদা লিলি পাঠিয়েছে তাঁর মাম্মাকে। হ্যাপি মাদার্স ডে টু মি।'