সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বাংলার ২৬ হাজার শিক্ষক–শিক্ষাকর্মীর চাকরি গিয়েছে। তার জন্য এখন এই বিপুল পরিমাণ মানুষের জীবন🍸ে হাহাকার নেমে এসেছে। আর এই ইস্যুকে সামনে নিয়ে এসে এখন প্রধান বিরোধী দল বিজেপি বাংলার সরকারকে দুষছে। পাল্টা এই রায়ের পিছনে বিজেপি–সিপিএমের ষড়যন্ত্র আছে বলে সোচ্চার হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই আবহে আজ, শুক্রবার নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে নয়াদিল্লিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখালেন বাংলার বিজেপি সাংসদরা। তবে সেটা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কারণ অমিত শাহের দিল্ল⛄ি পুলিশ তাঁদের গ্রেফতার করে। বিজেপি সরকারের পুলিশের হাতেই সেক্ষেত্রে গ্রেফতার হলেন বাংলার বিজেপি সাংসদরা।
এদিকে গতকা🀅লই নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এসএসসি’র ২০১৬ সালের গোটা প্যানেল বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। তার জেরে প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিল করার রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করতে শুরু ক⛦রেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। তার সঙ্গে বাংলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ তুলে আজ নয়াদিল্লিতে বঙ্গভবনের সামনে বিজেপির সাংসদরা বিক্ষোভ দেখাবেন সেটা দু’দিন আগেই জানানো হয়েছিল। কিন্তু গতকাল চাকরি বাতিলের ঘটনা সামনে আসতেই আইনশৃঙ্খলার সঙ্গে যোগ হয়ে যায় এই ইস্যুটি। আর তাই বিক্ষোভের মূল বিষয় হয়ে ওঠে বাংলার শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি।
আরও পড়ুন: পয়লা বৈশাখেই বঙ্গ সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী! চাকরি বাতিল নিয়ে কি বার্তা দেবেন?
দ্রুততার সঙ্গে এই নিয়োগ দুর্নীতির ইস্যুটি যুক্ত করে পথে নেমে পড়েন বাংলার বিজেপি সাংসদরা। যদিও বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী কমিটি ঠিক করলে যোগ্য–অযোগ্য তিনি বাছাই করে দেবেন। কারণ সেটি সম্ভব। আসলে বিচারপতি থাকাকালীন সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ হয়েছিল। সেখানে এই রায় দেওয়ার আগে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, যোগ্য–অযোগ্য বাছাই করা সম্ভব নয়। সেখানে সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের কথা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। আজকের বিক্ষোভে ছিলেন সুকান্ত মজুমদার, সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য, খগেন মুর্মুরা। তাঁꦏদের সকলকে🐈ই গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশ।