চাকরির অভিজ্ঞতা থাকা শিক্ষিত স্ত্রীর স্বামীর থেকে ভরণপোষণের টাকা পাওয়ার জন্য বেকার বসে থাকা উচিত নয়। এক দাম্পত্য কলহের মামলায় এমনটাই জানিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট। এদিকে, আইপি⛎এলের দু’দিন আগে বিবাহবিচ্ছেদ চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে ক্রিকেটার যুজবেন্দ্র চহল ও ধনশ্রী ভর্মার। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ꦺের একটি পরিবার আদালত তাদের বিচ্ছেদে সিলমোহর দিয়েছে। খোরপোশ হিসাবে চহলকে ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে নৃত্যশিল্পী ধনশ্রীকে। এই আবহে দিল্লি আদালতের এই মন্তব্য অনেকেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন।
জানা গেছে, ওই দম্পতির ২০১৯ সালে বিয়ে হয় এবং বিয়ের পর পরই তাঁরা সিঙ্গাপুরে চলে যান। কিন্তু সেখানে মহিলা 🎶অত্যাচারের শিকার হন বলে অভিযোগ। তাই ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ভারতে ফিরে আসেন ওই মহিলা। পরে স্বামী এবং শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে পারিবারিক আদালতের দ্বারস্থ হন তিনি। স্বামীর থেকে মাসে ৩ লক্ষ ২৫ হাজার করে ভরণপোষণের আর্জি জানান। কিন্তু সেখানে মহিলার অন্তর্বর্তী ভরণপোষণের আর্জি খারিজ হয়ে যায়। পারিবারিক আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। কিন্তু দিল্লি হাইকোর্টও মহিলার আর্জি খারিজ করে দিয়েছে। দু’পক্ষের বক্তব্য শুনে দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি চন্দ্রধরি সিং জানিয়েছেন, স্ত্রী যথেষ্ট উচ্চশিক্ষিত এবং শারীরিক ভাবেও সক্ষম। এই ঘটনার ক্ষেত্রে মহিলা যে ভাবে নিজেকে পেশ করেছেন, তাতে মনে হয়েছে আদালতকে বোঝাতে চাইছেন যে তিনি উপার্জনে অক্ষম। এই মামলায় মহিলা অন্তর্বর্তী ভরণপোষণ পাওয়ার যোগ্য🧸 নন বলেই মনে করছে আদালত। দিল্লি হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং চাকরির পূর্ব অভিজ্ঞতা দেখে এমন কিছু ভাবার কারণ নেই যে তিনি ভবিষ্যতে নিজের খরচ বহন করতে পারবেন না।
সূত্রের খবর, অভিযোগকারী মহিলা সুশিক্ষিত। ২০০৬ সালে স্🧜নাতকোত্তর পাশ করেন তিনি। ২০০৫ সাল থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত দুবাইয়ে কাজ করতেন তিনি। তবে এরপর থেকে তিনি আর কোনও কাজ কꦜরেননি। মহিলার দাবি, তাঁর ডিগ্রি, শেষ চাকরি এবং বিয়ের মধ্যে যথেষ্ট ব্যবধান রয়েছে। এর থেকে বোঝা যায় তিনি চাকরি না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যদিও মহিলার স্বামীর পাল্টা যুক্তি, স্ত্রী উচ্চশিক্ষিত এবং নিজে উপার্জন করার ক্ষমতা রাখেন। তাই বেকারত্বের কারণ দেখিয়ে তিনি ভরণপোষণ চাইতে পারেন না।
এই মামলার খবর সামনে আসতেই যুজবেন্দ্র চহল ও ধনশ্রী ভর্মার বিবাহবিচ্ছেদ নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।এর আগে নানা মিডিয়া রিপোর্টে শোনা গিয়েছিল, ধনশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হলে চহলকে ৬০ কোটি টাকা খোরপোশ দিতে হবে। তবে সামনে এসেছে আসল তথ্য। আসলে ধনশ্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর𝓰 তাঁকে ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা খোরপোশ দিতে হবে চহলকে। তারকা স্পিনার এখনও পর্যন্ত ২ কোটি ৩৭ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ২০২০ সালে বিয়ে হয়েছিল চহল ও ধনশ্রীর। কিন্তু ২০২২ সালের জুন মাস থেকে আলাদা থাকছেন তাঁরা।