জো বাইডেনের আমলে ভারতের নির্বাচনে প্রভাব খাটাতে ২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করেছিল আমেরিকা? তেমনই ইঙ্গিত দিয়েছেন নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর শুক্রবার সেই বিষয়টি উদ্বেগ প্রকাশ করল নয়াদিল্লি। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেছেন, ‘আমেরিকার কয়েকটি কাজ এবং অর্থ জোগান নিয়ে মার্কিন প্রশাসন যে তথ্য সামনে এনেছে, সেটা আমরা দেখেছি। সেগুলি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। সেগুলির কারণে ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বৈদেশিক হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই বিষয়টা খতিয়ে দেখছে বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা এবং এজেন্সি। এই মুহূর্তে দাঁড়িয়ে সেই বিষয়টি নিয়ে জনসমক্ষে কোনও মন্তব্য করা ঠিক হবে না। ༺(এক কথায় বলতে গেলে) বিভিন্ন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। আর পরবর্তীকালে আমরা ওই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাতে পারব বলে আশা করছি।’
ভারতের ভোটদান নিয়ে আমেকিার এত মাথাব্যথা কেন? প্রশ্ন ট্রাম্পের
আর এমন সময় ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র সেই মন্তব্য করেছেন, যার কয়েক ঘণ্টা আগেই ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান গভর্নরস অ্যাসোসিয়েশনের বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ‘ভারতে ভোটাদানের হার বৃদ্ধি করার জন্য ২১ মিলিয়ন ডলার (খরচ করা হয়েছে)! ভারতের ভোটদানের হার নিয়ে আমাদের এত মাথাব্যথা কীসের? আমাদের 𒉰যথেষ্ট সমস্যা আছে। আমরা আমাদের ভোটাদানের হার বাড়াতে চাই।’
১৮২ কোটি টাকা খরচ করার কী দরকার ছিল? প্রশ্ন ট্রাম্পের
শুধু তাই নয়, ভারতের নির্বাচনে প্রভাব বিস্তার করতে 'ইউনাইটেড স্টেটস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট' (ইউএসএড) কয়েক লাখ কোটি ডলার খরচ করেছে বলে ইঙ্গিত দিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রশ্ন তোলেন, ‘ভারতের ভোটদানের জন্য আমাদের ২১ মিলিয়ন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৮২ কোটি টাকা) খরচ করার কী দরকার ছিল? আমার মনে হয়, ওরা অন্য কাউকে নির্বাচিত করার চেষ্টা ꧂করছিল। এই বিষয়টা আমায় ভারতীয় সরকারকে জানাতে হবে….এটা একটা বড়সড় পদক্ষেপ।’
রাজনৈতিক তরজায় বিজেপি ও কংগ্রেস
আর ট্রাম্পের সেই মন্তব্যের পরে পুরো বিষয়টি নিয়ে ভারতে রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। বাগযুদ্ধ চলছে বিজেপি এবং কংগ্রেসের। পদ্ম শিবিরের দাবি, ট্রাম্প যে মন্তব্য করেছেন, তাতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী কেন🔜 বৈদেশিক সহায়তা চাইছিলেন।
পালটা কংগ্রেস দাবি করেছে, ট্রাম্প যে মন্তব্য করেছেন, সেটা পুরোপুরি অর্থহীন। সেইসঙ্গে ইউএসএড নিয়ে নরেন্দ্র 𝕴মোদী সরকারকে শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি তুলেছে কংগ্রেস। তাতে ইউএসএড সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য তুলে ধরার দাবি তোলা হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, ইউএসএড প্রকল্পের সঙ্গে মোদী সরকারের একাধিক মন্ত্রীর যোগসূত্র মিলেছে।