এখনও বহু বছর নরেন্দ্র মোদীই ভারতের নেতৃত্ব দেবেন। তাঁর অবসর গ্রহণের কোনও প্রশ্নই নেই। সোমবার (৩১ মার্চ, ২০২৫) যাবতীয় জল্পনায় জল ঢেলে একথা বললেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমনꩲ্ত্রী তথা বিজেপি নেতা দেবেন্দ্র ফড়নবীস।
উল্লেখ্য, রবিবারই (৩০ মার্চ, ২০২৫) নাগপুরে অবস্থিত আরএসএস-এর সদর কার্যালয়েꦺ যান প্রধানমন্ত্রী মোদী। সেই ঘটনার প্রেক্ষিতে উদ্ধব সেনা শিবিরের নেতা সঞ্জয় রাউত দাবি করেন, মোদী আসলে আগামী সেপ্টেম্বর মাসেই অবসর নিতে চলেছেন। সেই কারণেই সংঘ প্রধান মোহন ভাগবতের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন তিনি।
এরই প্রেক্ষিতে সোমবার ফড়নবীস বলেন, '২০২৯ সালে আমরা ফের একবার নরেন্দ্র মোদীকে প্রধানমন্ত্রী পদে দেখতে পাব।' তাঁর মন্তব্যের প্রতি সমর্থনের সুর শোনা যায় প্রবীণ আরএসএস নেতা সুরেশ ভাইয়াজি জোশির গলাতেও। তাঁর দাবি, তিনি অন্তত প্রধানমন্ত্রীর অবসর বা তাঁর জায়গায় অন🗹্য কাউকে বসানো সম্পর্কে কিছু জানেন না।
এদিন নাগপুরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দেবেন্দ্র ফড়নবী♏স বলেন, 'ওঁর (মোদীর) উত্তরসূরি খোঁজার কোনও প্রয়োজন নেই। তিনিই আমাদের নেতা এবং তিনিই নেতৃত্বে থাকবেন।' এমনকী তিনি এও বার্তা দেন যে যখন কোনও নেতা সক্রিয় থাকে, সেই সময় তাঁর উত্তরসূরি নিয়ে চর্চা করাটাও নাকি ভারতীয় সংস্কৃতি 🐻অনুসারে সমীচীন নয়!
মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, 'আমাদের সংস্কৃতিতে, যখন পিতা জীবিত থাকেন, তখন তাঁর উত্তরসূরি নিয়ে আলোচনা করা সমীচীন নয়। সেটা মুঘল সংস্কৃতি। এ⛎ই আলোচনা করার সময় এখনও আসেনি।'
এর আগে সোমবারই সঞ্জয় রাউত দাবি করেছিলেন, দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বে♏ বদল দেখতে♎ চাইছে আরএসএস। সঞ্জয় রাউত বলেন, 'তিনি (মোদী) আরএসএস সদর কার্যালয়ে গিয়েছিলেন, সম্ভবত সেপ্টেম্বরে নিজের পদত্যাগপত্র লিখতে।'
প্রসঙ্গত, বিজেপির নিয়ম অনুসারে, ৭৫ বছর বয়স হয়ে গেলে কোনও নেতাকেই আর কোনও সক্রিয় পদে রাখা হয় 💧না। তাঁদের হয় অবসরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। অথবা তাঁদের নাম কা ওয়াস্তে কোনও পদ - যেমন - উপদেষ্টা, পরামর্শদাতা - এই ধরনের কোনও পদে বসিয়ে দেওয়া হয়। এদিকে, মোদী আগামী সেপ্টেম্বরেই ৭৫ বছর পূর্ণ করছেন। সেই প্রেক্ষিতেই সঞ্জয় রাউত মোদীর অবসর নিয়ে মন্তব্য করেছেন বলে মত রাজনৈতিক মহলের।
উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর কুর্সিতে মোদী বসেছেন ১১ বছর হতে চলল। আর, গত ১১ বছরে এই প্রথম তিনি নাগপুরে আরএসএস-এর সদর কার্য🐻ালয়ে গেলেন। ফলে তা নিয়েও চর্🎃চা কম হচ্ছে না।