২৬ হাজার চাকরি বাতিলཧ মামলা। এই মামলায় শেষ পর্যন্ত কী রায় দেয় দেশের শীর্ষ আদাඣলত সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে বিভিন্ন মহল। শিক্ষক শিক্ষিকারা বেশ উদ্বেগের মধ্য়েই রয়েছেন। আর বৃহস্পতিবারই সেই মামলার রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। বিচারপতি সঞ্জীব খন্না ও বিচারপতি সঞ্জয় কুমারের বেঞ্চে এই মামলার শুনানি রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ এই মামলার রায় ঘোষণা করবে।
এদিকে এই মামলার রায়ের উপর প্রায় ২৬ হাজার শিক্ষক শিক্ষিকার ভবিষ্যর নির্ভর করছে। শেষ পর্🧸যন্ত এই মামলায় বিচারপতিদের বেঞ্চ কী রায় দেয় সেটাই দেখার।
বুধবার সুপ্রিম কোর্ট মামলার যে তালিকা প্রকা൩শ করেছে তাতে দেখা গিয়েছে, বৃ🐠হস্পতিবার সকালে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত রায় ঘোষণা করা হবে।
২৬ হাজার চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলা। সবথেকে বড় প্রশ্ౠন হꦅল ২৬ হাজার চাকরি কি থাকবে নাকি বাতিল হয়ে যাবে?
প্রসঙ্গত গত ১০ ফেব্রুয়ারি এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা পিছিয়ে যায়। এর আগে শুনানিতে মামলাকারীদের আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য ফের পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন। তিনি সেই সময় বলেছিলেন, এই দুর্নীতি এমনভাবে করা হয়েছে যাতে অবৈধ নিয়োগ কেউ খুঁজে না পায়। নিয়োগ দুর্নীতির স্পনসর হল রাজ্য় সরকার। পরীক্ষায় না বসেই চাকরি মিলেছে। সন্ཧদেহ থাকলে পুরো প্যানেল বাতিল করে নতুন করে নিয়োগ করার পক্ষে সওয়াল করেছিলেন আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য।
তবে চাকরি বাতিল সংক্রান্ত মামলায়🐓 একাধিক জটিলতা রয়েছে। এর মধ্য়ে সবথেকে বড় জটিলতা হল কারা যোগ্য ও কারা অযোগ্য় সেটাকে নিশ্চিত করা। তবে কীভাবে যোগ্য ও অযোগ্যদের চিহ্নিত করা হবে সেটা নিয়ে কোনও সমাধানসূত্র মেলে কি না সেটাও দেখার। যাঁরা পরীক্ষায় বসেছিলেন আগে তাঁদের যদি ফের পরীক্ষায় বসতে হয় সেক্ষেত্রে বয়সসীমার একটা ব্যাপার রয়েছে। সেক্ষেত্রে কি বয়সসীমা তুলে দেওয়া হবে? এদিকে এর আগে যারা স্বচ্ছভাবে পাশ করেছিলেন তাঁরা যদি এখন পাশ করতে না পারেন তাহলে কি হবে? এমন নানা প্রশ্ন রয়েছে।
এর আগে সিবিআই জানিয়েছিল, এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ার ব্যপক দুর্নীতি হয়েছে। সাদা খাতা জমা দিয়ে অনেকে চাকরি পেয়েছেন। হাইকোর্টের রায় বহাল রাখার পক্ষেই জানিয়েছিল সিবিআই। তবে রাজ্য সরকারের দাবি এত শিক্ষকের চাকরি গেলে শিক্🥃ষা ব্যবস্থার কী হবে? ক্লাস নেবেন কারা?