জার্মানির রোস্টক শহরে কুকুর নিয়ে হাঁটাতে বেরিয়েছিলেন এক পথচারী।কিন্তু যা দেখলেন তাতে তাঁর চক্ষু চড়কগাছে। প্লাস্টিকের ব্যাগে মধ্যে রয়েছে পোড়া একটি হাত। ভয়ে আঁতকে ওঠেন ওই পথচারী। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। খবর পেয়েই মুহূর্তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ, তদন্তকারী দল, এবং এমনকি ৩ডি স্ক্যানার নিয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী।পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে ড্রোন উড়িয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এমনকি মৃতদেহের শেষকৃত্যের জ🐭ন্য প্রস্তুতিও প্রা🔯য় সাড়া হয়ে যায়।
কিন্তু পাঁচ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে তদন্তের পর জানা যায়, উদ্ধার হওয়া হাতটি কোনও মানুষের নয়, বরং একটি সেক্স ডলের হাতের অংশ। পুতুলের মালিক সেটিকে পোড়ানোর পর আবর্জনার মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন।এরপরে জার্মান পুলিশ এক বিবৃতিতে জানায়, ‘তদন্ত তৎক্ষণাৎ বন্ধ করা হয়। সৌভাগ্যবশত অন্ত্যেষ😼্টি কর্মীকে আর লাগেনি। আমরা নাগরিকদের আহ্বান জানাই, তারা যেন নিজেদের আবর্জনা যথাযথভাবে ফেলে দেন।’ সম্প্রতি জার্মানির বিভিন্ন শহরে এমন ঘটনা ক্রমশ বাড়ছে। কয়েকদিন আগেই বিঙ্গেনে একটি পার্কের বেঞ্চে পড়ে থাকা সেক্স ডলকে মৃতদেহ ভেবে পুলিশ ঘিরে ফেলে। গত সপ্তাহে ব্যাড ক্রয়ৎসনাখে একটি মাঠে পাওয়া ‘মানবদেহের অংশ’ ছিল আসলে সিলিকনের তৈরি নকল পশ্চাদ্দেশ।এমনকি ফেব্রুয়ারিতে হ্যানোভারে ফায়ার সার্ভিস একটি খালে ভাসমান মৃতদেহ উদ্ধার করতে গিয়ে দেখতে পায় সেটিও একটি পরিত্যক্ত সেক্স ডল।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের ঘটনার বৃদ্ধির কারণ সেক্স ডলের অতিরিক্ত বিক্রি। বিশেষ করে এআই প্রযুক্তিসম্পন্ন পুতুলগুলোর চাহিদা বেড়েছে। চিনা সংস্থা WMDolls জানিয়েছে, তা🃏রা সম্প্রতি ৩০ শতাংশ বেশি সেক্স ডল বিক্রি করেছে, যেখানে এআই প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। এসব পুতুল এখন কথা বলতে পারে এবং আগের কথোপকথনও মনে রাখতে সক্ষম। ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় ইতিমধ্যেই শতাধিক এআই চালিত সেক্স ডল পাঠানো হয়েছে।