𝐆 আবারও অশান্ত মণিপুর থেকে পাকড়াও করা হল জঙ্গিদের। সংবাদ সংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, উত্তর-পূর্ব ভারতের সীমান্তবর্তী এই পার্বত্য রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে সব মিলিয়ে মোট ১১ জন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ এপ্রিল, ২০২৫) স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে একথা জানানো হয়েছে।
꧋পুলিশের দাবি, বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল, ২০২৫) ইম্ফল পশ্চিম জেলার ল্যাংথাবাল এলাকা থেকে দুই সন্ত্রাসবাদীকে গ্রেফতার করা হয়। এরা দু'জনই নিষিদ্ধ পিআরইপিএকে গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও, ওই একই জেলার আওয়ান্ফ পোটস্যাংবাম এলাকা থেকে আরও এক জঙ্গিকে পাকড়াও করা হয়। ওই ব্যক্তি কাঙ্গেলি ইয়াওল কান্না লুপ (কেওয়াইকেএল) নামে একটি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত।
🌟এছাড়াও, আরও এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয় থৌবাল জেলার ইউনিংখং এলাকা থেকে। এই ঘটনাটিও ঘটে বৃহস্পতিবার।
🐠বাকি যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, তাদের মধ্যে রয়েছে পিপল'স লিবারেশন আর্মি (পিএলএ)-এর এক ক্যাডার। তাকে ইম্ফল পূর্ব জেলার চিঙ্গারেল তেজপুর থেকে পাকড়াও করে পুলিশ। আরও এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয় তার বাড়ি থেকে। ঘটনাটি ঘটে একই জেলার অন্তর্গত ফ্যাকনুং সংমোশ্য়াং এলাকায়। পুলিশের দাবি, ধৃত ব্যক্তি কাংলেইপ্যাক কমিউনিস্ট পার্টি (সিটি মেইতেয়ি)-এর সদস্য।
꧙এর পাশাপাশি, বিষ্ণুপুর জেলার মোয়ব়্যাং খুনৌ এলাকা থেকে কেসিপি (পিডাব্লিউজি)-এর একজন সক্রিয় সদস্যকেও গ্রেফতার করেছে মণিপুর পুলিশ। ওয়্যাংখেম মামাং লেইকাই থেকে কেসিপি (নোয়োন)-এর দুই সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। জঙ্গি কার্যাকলাপে যুক্ত থাকার অভিযোগে আরও দু'জনকে গ্রেফতার করা হয় ইম্ফল পূর্ব জেলা থেকে। এই দু'জনই নিষিদ্ধ সংগঠন ইউপিপিকে-র সঙ্গে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে।
🦄পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, সামগ্রিকভাবে এই জঙ্গিদমন অভিযান চলাকালীন প্রচুর অস্ত্র, কার্তুজ প্রভৃতি উদ্ধার করা হয়েছে। মণিপুর পুলিশের সোশাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে তার ছবি ও তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
ౠপ্রসঙ্গত, গত প্রায় দু'বছর ধরে জাতি দাঙ্গায় বিধ্বস্ত মণিপুর। এই সুযোগে সেখানে জঙ্গিদের দাপাদাপিও বাড়ছে বলে দাবি সূত্রের। এর আগে গত মাসেও মণিপুরের বিভিন্ন জেলা থেকে চারজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তথ্য বলছে, এই সন্ত্রাসবাদীরা বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। যাদের একমাত্র লক্ষ্য হল, মণিপুরকে আরও অশান্ত করে তোলা।
♉গত মার্চ মাসে যখন একসঙ্গে চার জঙ্গিকে গ্রেফতার করার খবর মণিপুর পুলিশের তরফে প্রকাশ্যে আনা হয়েছিল, সেবারও ধৃতদের কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র ও কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছিল। ধৃত চারজনই ইম্ফল উপত্যকার বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিল বলে জানিয়েছিল পুলিশ।