নয়ডায় অভিজাত সোসাইটিতে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। আর তার ভিতরেই বিরাট অনলাইন পর্নোগ্রাফি র্যাকেটের সন্ধানে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। যার মাথায় এক দম্পতি। বিদেশ থেকে আসা টাকায় ব্যবসা চলছিল রমরমিয়ে। এমনটাই করেছে দাবি ইডি। ওই দম্পতির ফ্ল্যাটে হানা দিয়ে ১৫.৬৬ কোটি টাকার বেআইনি বিদেশি ‘ফান্ডিং’-এর সন্ধান পেয়েছে কেন্দ্রীয় সংস্থা। তদন্তকারীদের দাবি, বিপুল টাকার লোভ দেখিয়ে বহু মেয়েকে পর্নদুনিয়ায় টেনে এনেছিল ওই দম্পতি। যদি লভ্যাংশের ৭৫ শতাংশই তারা হাতিয়ে নিত। উজ্জ্বল কিশোর ও তাঁর স্ত্রী নীলু শ্রীবাস্তব বিগত ৫ বছর ধরে এই চক্র চালাচ্ছিলেন বলে অভিযোগ। (আরও পড়ুন: ফের রেল দুর্ঘটনা ওড়িশায়, লাইনচ্যুত ১১ কামরা, করমণ্ডলের আতঙ্ওক ফেরাল কামাখ্যা)
আরও পড়ুন-Jeff Bezos: ভেনিসে দ্বিতীয় রাজকীয় বিয়ের আগে প্রমোদতরী নিয়ে সমস্�♔�যায় অ্যামাজন প্রতিষ্ঠাতা
সূত্রের খবর, সাইপ্রাসের একটি কোম্পানি, যারা পর্ন জগতে জনপ্রিয়, তারাই নয়ডার এই দম্পতিকে টাকা জোগাত। ওই দম্পতিও ভুয়ো নথি তৈরি করে বিদেশে টাকা পাঠাত। বিজ্ঞাপন ও মার্কেট রিসার্চের নাম করে আর্থিক লেনদেন চালানো হত।অভিযোগ, ফেসবুকের মতো অনলাইন মঞ্চকে ব্যবহার করে ‘টোপ’ দেওয়া হত। প্রথমে ‘ইচ্যাটো ডট কম’ নামের একটি পেজ খোলা হয়েছিল। সেখানে মডেলিংয়ের লোক খোঁজার পোস্ট করা হত। আকর্ষণীয় বেতনের হাতছানিতে অনেকেই হাজির হয়ে যেতেন ওই দম্পতির ফ্ল্যাটে। তারপরই দেওয়া হত আসল কাজের প্রস্তাব। বলা হত পর্ন ভিডিওয় অংশ নিলে মিলবে বিপুল অর্থ। ১ থেকে ২ লক্ষ টাকা রোজগারের এই ফাঁদ কেটে বেরিয়ে আসতে না পেরে অনেকেই যুক্ত হয়ে যেতেন। ইডি যখন তল্লাশি চালাতে ওই ফ্ল্যাটে যায়, তখনও সেখান থেকে তিনজনকে আটক করা হয়।তাদের বয়ান রেকর্ড করেছে ইডি। অনুমান, ৪০০ জনেরও বেশি মহিলা এই র্যাকেটের সঙ্গে যুক্ত। (আরও পড়ুন: বিধ্বস্ত মায়ানমারে জারি গৃহযুদ্ধ, ভারত লাগোয়া অঞ্চলে বিদ্রোহীদꦉের ওপর বিমান 💦হামলা)
আরও পড়ুন: দশম, দ্বাদশ শ্রেণির সিলেবাস প🉐্রকাশ করল সিবিএসই, বি꧒স্তারিত জানতে ক্লিক করুন এখানে
ইডির তল্লাশিতে দেখা গিয়েছে, ঘরের মধ্যেই প্রফেশনাল ওয়েবক্যাম সেট আপ করা ছিল। সেখান থেকেই ভিডিও ব্রডকাস্ট করা হত। ভিডিওর বিভিন্ন ভাগও রয়েছে সেখানে। যত টাকা, তত বেশি নগ্ন শরীর দেখতে পাওয়ার সুযোগ- এভাবেই ওয়েবসাইট চলত।ইডি তদন্তে জানতে পারে, এর আগে ওই দম্পতি রাশিয়ায় থাকত। সেখানেও এই চক্রই চালাত। ভারতে ফিরে এসে স্ত্রীর সঙ্গে নতুন করে ব্যবসা শুরু করেন স্বামী। জানা গিয়েছে, ৭৫-২৫ শতাংশের শেয়ারে ব্যবসা চলত। অ✤নলাইন গ্রাহকদের কাছ থেকে পাওয়া টাকার ৭৫ শতাংশ দম্পতি রেখে দিত, ২৫ শতাংশ দিত মডেলদের। নেদারল্যান্ডেও তাদের একটা অ্যাকাউন্টের হদিস মিলেছে, যেখানে ৭ কোটি টাকা ট্রান্সফার করা হয়েছিল।পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।