জঙ্গি দমন অভিযানের সময় নিরীহ গুজ্জরদের হত্যা করার অভিযোগ উঠব পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগ মেনেও নিয়েছে খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের সরকার। এই আবহে ৯ মার্চ একটি বিবৃতি জারি করে তারা ক্ষমা চেয়েছে। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানের মারদান জেলায় এই অভিযান চালানো হয়েছিল। সেখানেই জঙ্গির বদলে সাধারণ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় পাক নিরাপত্তা বাহিনীর জওয়ানরা। এই আবহে ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে খাইবার প্রদেশের সরকার। (আরও পড়ুন: 🐻FSB-র সদর দফতরের কাছে বিস্ফোরণ পুতিনের ২৭৫০০০ পাউন্ডের গাড়িতে: ভিডিয়ো)
আরও পড়ুন: 🧸তিন বন্ধুর সমকামী সম্পর্কে বাধা, স্ত্রীকে খুন স্বামীর, সাহায্য দুই পার্টনারের
উল্লেখ্য, গত একবছর ধরে পাকিস্তানে জঙ্গি কার্যকলাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে খাইবার প্রদেশে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ অনেকটাই বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ পাক সেনার সঙ্গে ২০২২ সালের নভেম্বরেই সংঘর্ষবিরতি চুক্তি বাতিল করেছে তেহরিক-ই-তালিবান। এই আবহে প্রায় রোজই পাক নিরাপত্তা বাহিনীর ওপরে হামলা করছে তারা। আর তাই পাক তালিবান গোষ্ঠীকে পালটা শিক্ষা দিতে অভিযান চালাচ্ছে পাকিস্তানি বাহিনী। (আরও পড়ুন: ꧅ভারতীয় সেনার পরে এবার বড় পদক্ষেপের পথে বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী)
আরও পড়ুন: 🐽ভারতে পরমাণু চুল্লি তৈরির অনুমোদন পেল ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিল্পপতির মার্কিন সংস্থা
জনা গিয়েছে, ২৯ মার্চ ভোরের দিকে মারদান জেলার প্রত্যন্ত পাহাড়ে এই অভিযান চালানো হয়েছিল। পাক বাহিনীর কাছে নাকি নির্দিষ্ট তথ্য ছিল। তার পরিপ্রেক্ষিতেই এই অভিযান চালানো হয়েছিল। সেই অভিযানে একাধিক জঙ্গিকে খতম করার দাবি করেছে পাকিস্তানি বাহিনী। তবে সেই স্থানে নাকি সাধারণ মানুষও উপস্থিত ছিল সেই সময়। এই আবহে অভিযান চলাকালীন তাদেরও মৃত্যু হয়। এই আবহে সরকার শোক প্রকাশ করেছে। মৃত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে সরকার। (আরও পড়ুন: ♋মার্কিন মুলুকে বাড়িতে ভেঙে পড়ল আস্ত বিমান, মৃত সব যাত্রী)
আরও পড়ুন: 🧜রাজতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে হিংসার জের, জরিমানা নেপালের প্রাক্তন রাজা জ্ঞানেন্দ্রকে
ꦑএদিকে সোয়াট অঞ্চলের সাংসদ আমজাদ আলি ফেসবুকে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে দাবি করেন, পাক বাহিনী ড্রোনের মাধ্যমে এই অভিযান চালিয়েছিল। সেখানেই গুজ্জর সম্প্রদায়ের একটি পরিবারের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেন সাংসদ। এই হালায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে এখনও বেশ কয়েকজন শিশু নিখোঁজ রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এদিকে মৃতদের দেহ নেওয়ার জন্যে সেই এলাকায় যেতে দেওয়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন আমজাদ। এদিকে গুজ্জর সম্প্রদায়ের মানুষজন সোয়াটে আজ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন এই অভিযানের বিরুদ্ধে।