সমকামী সম্পর্কে বাধা দিয়েছিল স্ত্রী। এর জন্যেই খুন করেছে স্বামী। এমনই ঘটনা ঘটেছে দিল্লিতে। গত ২৮ মার্চ দিল্লির সত্যম এনক্লেভ এলাকায় ব্যাগের মধ্যে এক মহিলার দেহ উদ্ধার হয়েছিল। রিপোর্ট অনুযায়ী, তদন্ত করে পুলিশ প্রাথমিক ভাবে জানতে পেরেছে, সমকামী সম্পর্কে বাধা দেওয়ায় স্ত্রীকে খুন করেছেন স্বামী ও তাঁর বন্ধুরা। শাহদারা জেলার অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার নেহা যাদব জানিয়েছেন, খুনের তিন-চার দিন আগে স্বামী আশিস কুমার ঝা ও তাঁর বন্ধু অভয় কুমার ঝা-র সঙ্গে দিল্লিতে এসেছিলেন ওই মহিলা। অভিযুক্ত বিবেকানন্দ তার ঘরে তাদের থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন। নিজের ঘরের তালা বদলের পর আশিসকে একটি চাবি দিয়েছিলেন তিনি। (আরও পড়ুন: বড় পদক্ষেপ মায়ানমারের বিদ্রোহীদের, অপারেশন ব্রহ্মার জ🅺ন্যে প্রস্তুত ভারতীয় সেনা)
আরও পড়ুন: কলকাতায় ছুটতে শুরু করল 🥃নতুন ২টি চিনা ডালিয়ান রেক, কোন রুটে চালু এই মেট্রো?
মৃত অঞ্জু ওরফে অঞ্জলি পঞ্জাবের লুধিয়ানার বাসিন্দা। বাড়ির মালিক বিবেকানন্দ মিশ্র ও অভিযুক্ত অভয় কুমার ঝা ওরফে সোনুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভয় বিহারের সুপৌল জেলার পরশর্মা গ্রামের বাসিন্দা। অভিযুক্ত স্বামীর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। বাড়ির মালিক বিবেকানন্দ মিশ্র জেরায় জানিয়েছেন, অভিযুক্ত আশিস কুমার ঝা তাঁর বন্ধু। কিছুদিন আগে আশিস বিবেকানন্দকে দিল্লিতে থাকার জন্য একটি ঘরের ব্যবস্থা করতে বলেছিল। এই কথা শুনে বিবেকানন্দ সত্যম এনক্লেভে তাঁর ঘরটি তাঁর বন্ধু আশিসকে দিয়েছিলেন। এই ধরে কোচিং পড়াতো বিবেকানন্দ। তবে তাছাড়া ঘরটি খালি থাকত। দিল্লির প্যাটেল নগর এলাকায় স্ত্রীর সঙ্গে থাকতেন বিবেকানন্দ। সত্যম এনক্লেভের ওই বাড়িতে কোচিং পড়াতে আসতেন তিনি। শুক্রবার বিবেকানন্দের স্ত্রী কিছু কাজে ঘরে এসেছিলেন। দরজার নিচ থেকে রক্ত বের হতে দেখেন তিনি। এর পাশাপাশি ঘর থেকে দুর্গন্ধ বের হতে দেখে তিনি হতবাক হয়ে পড়েছিলেন। এরপরই পুলিশকে খবর দেওয়া হয়েছিল। (আরও পড়ুন: 'বা🌠ংলাদেশি সেনা প্রধানের বলেন...', প্রতিবেশী দেশ নিয়ে বড় দাবি ভারতের)
আরও পড়ুন: 'হিন্দুদের ওপর ১০টি হামলা…', জয়শংকরের তোপের জবাব পাকিস🌞্তান꧃ের, দিল অযাচিত জ্ঞান
উল্লেখ্য, কয়েক বছর আগে লুধিয়ানার বাসিন্দা অঞ্জুর সঙ্গে আশিসের দূর সম্পর্কের এক আত্মীয়ের মাধ্যমে বিয়ে হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আশিস, অভয় ওরফে সোনু এবং বিবেকানন্দের মধ্যে সমকামী সম্পর্ক ছিল এবং অভিযুক্তরা অঞ্জুকে পথ থেকে সরাতে কয়েকদিন আগে পরিকল্পিতভাবে তাঁকে দিল্লি নিয়ে এসেছিল। সকলেই বিহারের সুপৌলের বাসিন্দা। রবিবার গভীর রাতে তিন বন্ধু মিলে ইট দিয়ে আঘাত করে অঞ্জুকে খুন করে। খুনের কারণ নিয়ে বিবেকানন্দ বারবার বয়ান বদলাচ্ছে। অন্𓆏যদিকে সোনু সমকামিতার কারণে খুনের কথা স্বীকার করেছে।