জাপানি অ্যানিমেশন ছবিতে ভরে গিয়েছে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম। নেপথ্যে চ্যাটজিপিটি। মেসির বিশ্বকাপ জয় থেকে ডিডিএলজের রা🍸জ-সিমরন, ইতিহাসের বিশেষ কোনও মুহূর্ত, কোনও ༺ছবির আইকনিক দৃশ্য— খেলা থেকে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, বাদ যাচ্ছে না কিছুই। নেটিজেনরাও বাদ নেই। নিজের ছবি থেকে শুরু করে পরিবারের সঙ্গে কাটানো বিশেষ মুহূর্তের নানা ছবি নতুন ভাবে তৈরি করছেন অনেকে। এরই মাঝে ওপেনএআই-এর সিইও প্রতিক্রিয়া জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর জিবলি ছবি নিয়ে।
ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বেশ কিছু অ্যানিমেটেড ছবি তৈরি হয়েছে। ভারত সরকারের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট ‘মাইগভ ইন্ডিয়া’ মোদীর অ্যানিমেটেড ছবি দিয়ে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিল। মঙ্গলবার ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান এক্স-এ মোদীর ওই ছবি রি-পোস্ট করে ভারতের পতাকার একটি ইমোজি দিয়েছেন।পোস্টে তিনি লেখেন, ‘প্রধান চরিত্র? না। তিনিই পুরো গল্পের সারমর্ম। স্টুডিও জিবলিতে নতুন ভারতের অভিজ্ঞতা অর্জন করুন।'আরেকটি এক্স পোস্টে অল্টম্যান ঘোষণা করেছেন, চ্যাটজিপিটির ইমেজ জেনারেশন ফিচারটি এখন সকলের জন্য উপলব্ধ।এটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।এআই প্ল্যাটফর্মটি মাত্র এক ঘন্টার ൲মধ্যে ไদশ লক্ষ নতুন ইউজার ব্যবহার করেছে।
এই পোস্টটি দেখার পর♔ অনেকেই ওপেনএআই-এর সিইওর নিন্দা করেছেন। আবার অনেক নেটিজেন মোদীর ছবিগুলোকে বেশ পছন্দ করেছেন। এক ইউজার লিখেছেন, ‘স্যাম অল্টম্যান কেন ভারতকে এত পছন্দ করেন?’ সেই কমেন্টের রিপ্লাইয়ে অন্য জন প্রতিক্রিয়া দিয়ে জানিয়েছেন, ‘তিনি ভারতের বাজার সম্পর্কে জানেন।’ অন্য এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘যে ব্যক্তিটি এই স্টাইলটা তৈরি করেছেন, তিনি কিছুই পাচ্ছেন না। আর অন্যরা লক্ষ লক্ষ টাকা আয় করে যাচ্ছে। হায় রে! আমরা কোন পৃথিবীতে বাস করছি?'
উল্লেখ্য, জিবলি ছবি তৈরির ঢেউ সুনামি হয়ে আছড়ে পড়েছে চ্যাটজিপিটি-র উপর। অবস্থা সামাল দিতে ছবি তৈরিতে বিধি নিষেধ আরোপ করেন স্যাম অল্টম্যান। ফ্রি-তে আর চ্যাটজিপিটি দিয়ে এই ছবি বানানো যাচ্ছে না। যদিও স্যাম জানিয়েছেল শিগ্গির ফ্রি-তে দিনে ৩টে ছবি বানানো যাবে। অবশ্য দুধের সাধ ঘোলে মেটাতে চাইলে রয়েছে ইলন মাস্কের গ্রক এবং গুগলের এআই স্টুডিয়ো। তবে গোটা বিষয়টিতে স্যাম আপ্লুত। তাঁর কথায়, ‘জিবলি ছবির চাহিদা সামাল দিতে গিয়ে চ্যাটজিপিটির গꦬ্রাফিক প্রসেসিং ইউনিটে🌼র এখন-তখন দশা। তবে যে উদ্দেশ্য নিয়ে এটা করা হয়েছিল, তা সফল হওয়ায় আমরা খুশি।’