কেরলে ভয়ঙ্কর ঘটনা। সরকারি 🌺আবাসন থেকে উদ্ধার হল এক আমলা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের পচাগলা দেহ। ওই সরকারি অমলার নাম মণীশ বিজয়। তিনি🐽 কেন্দ্রীয় আবগারি ও জিএসটির একজন অতিরিক্ত কমিশনার ছিলেন। বৃহস্পতিবার কোচিতে সরকারি কোয়ার্টার থেকে ওই আমলা এবং তাঁর মা ও দিদির মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান এটি আত্মহত্যার ঘটনা। এর জেরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
আরও পড়ুন: মায়ের পচাগলা দেহ আগলে রেখেছি💝ল ছেলে, উদ্ধারের কিছুক্ষণ পরেই মৃত্যু হল সেই যুবকের
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চার দিনের ছুটিতে ছিলেন ওই কর্মকর্তা। ছুটি শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও তিনি কাজে যোগ না দেওয়ায় তাঁর সহক🌟র্মীরা ওই কোয়ার্টারে যান। তখনই তাঁর এবং পরিবারের সদস্যদের মৃত্যুর বিষয়টি সামনে আসে। সহকর্মীরা সেখানে গিয়ে তীব্র দুর্গন্ধ পান। তখন খবর দেন পুলিশে। পরে পুলিশ গিয়ে আমলা এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের মৃতদেহ দেখতে পায়।
জানা গিয়েছে, মণীশ এবং তাঁর বোন শালিনীর দেহ আলাদা ঘর থেকে উদ্ধার হয়।𝓰 এ🦹দিকে, তাঁদের মা শকুন্তলাকে বিছানায় মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছে। বৃদ্ধার দেহ সাদা কাপড়ে মোড়ানো ছিল। আর তাঁর পাশে রাখা ছিল ফুল। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, প্রথমে শকুন্তলা দেবীর মৃত্যু হয়েছে। সেক্ষেত্রে মনে করা হচ্ছে তাঁকে হত্যা করার পর দুই ভাই-বোন মিলে আত্মহত্যা করেন।
এ বিষয়ে কোচির পুলিশ কমিশনার পুত্ত বিমলাদিত্য জানিয়েছেন, মৃতদেহগুলি কয়েক দিনের⛎ পুরনো। সেগুলিতে পচন ধরতে শুরু করেছিল। ফরেন্সিক পরীক্ষার পরেই এবিষয়ে নিশ্চিতভাবে বলা যাবে যে কবে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও, পুলিশ একটি ঘর থেকে ডায়েরিও খুঁজে পেয়েছে। সেখানে একটি চিরকুটে লেখা ছি♛ল, যে বিদেশে বসবাসকারী এক বোনকে তাঁদের মৃত্যুর খবর জানানো উচিত।
জানা যাচ্ছে, পরিবারটি মূলত ঝাড়খণ্ডের বাসিন্দা। কেরলের এর্নাকুলাম জেলার কাক্কানাড়ে শুল্ক দফতরের কোয়ার্টারে থাকত পরিবারটি। দেড় বছর আগে কোচিতে বদলি হওয়ার আগে মণীশ কোঝিকোড় বিমানবন্দরে শুল্ক বিভাগে কাজ করতেন। কয়েক মাস আগে𒆙 তাঁর মা এবং বোন তাঁর সঙ্গে থাকতে শুরু করেছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, শালিনী ঝাড়খণ্ডে কোনও একটি বিষয় নিয়ে আইনি মামলা লড়ছিলেন। সেই জন্য মণীশ কাজ থেকে ছুটি নিয়েছিলেন।
আরও জানা গিয়েছে, শালিনী ২০০৬ সালের ঝাড়খণ্ড পাবলিক সার্ভিস কমিশ🀅ন (জেপিএসসি) পরীক্ষায় প্রথম স্থান অধিকার করেছিলেন। পরে তিনি ডেপুটি কালেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হন। কিন্তু, তার পরে কোনও কারণ বশত তাঁকে বরখাস্ত করা হয়। সিবিআই সেই মামলার তদন্ত করছিল। তাই নিয়ে সম্ভবত তিনি মামলা লড়ছিলেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাঁদের বিদেশে থাকা বোন দেশে ফেরার পরেই দেহগুলির ময়নাতদন্ত করা হবে। পুলিশ এই ঘটনায় অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে।