দক্ষিণ আফ্রিকার জোহনেসবার্গে জি ২০র বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকের ফাঁকে আলাদা করে মুখোমুখি হন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর ও চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। দুই দেশের মধ্যে একাধিক কূটনৈ꧒তিক পর্বের মাঝে এই সাক্ষাৎ নিঃসন্দেহে একটি তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা।
উল্লেখ্য, সদ্য বাংলাদেশের পাঠ্যবই ও জরিপ অধিদফতরের ওয়েবসাইটের ম্যাপে অরুণাচল প্রদেশ ও আকসাই চিনকে ভারতের অংশ তুলে ধরায় চিন আপত্তি তোলে। বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশও সদ্য মুখ খুলেছে। এমন এক প্রেক্ষাপটে এস জয়শংকর ও ওয়াং ই সাক্ষাৎ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল জানিয়েছেন,' গত নভম্বরের বৈঠকের পর থেকে দুই মন্ত্রী (ভারত ও চিনের)র মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও উন্নয়নের দিকগুলি পর্যালোচনা করা হয়েছে। বিশেষত, সীমান্ত এলাকায় শান্তি ও স্থিতাবস্থা, মানস সরোবর যাত্রা, সরাসরি বিমান যোগাযোগ, পর্যটনের সুযোগ ইত্যাদি নিয়ে কথা হয়েছে।' এর আগে, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর লেখেন,' জোহানেসবার্গে জি-২০ বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে সিপিসি পলিটব্যুরোর সদস্য ও চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ইয়ের সাথে দেখা করার সুযোগ হয়েছে।' প্রসঙ্গত, ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শংকর দুই দিনের দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে গিয়েছেন। সেখানে জি২০র বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি অংশ নিতে সেদেশে পৌঁছন। এরই মাঝে চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর এই সাক্ষাৎ গালওয়ান সংঘাত পরবর্তী সময়ে একটি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা। গত নভেম্বর মাসেও দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীদের সাক্ষাৎ হয়। এদিকে, সদ্য আমেরিকা স𝔍ফরে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মার্কিন-চিন সম্পর্কের প্রেক্ষিতে🐷 তাঁর সফরের পর চিনের বিদেশমন্ত্রী ও ভারতের বিদেশমন্ত্রীর সাক্ষাৎ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।
( Navapancham Rajyog: আর ৪৮ ঘণ্টা পর থেকে মঙ্গল, বুধের কৃপায় পকেট ভরতে পারে কাদের🏅? আসছে নবপঞ্চম যোগ)
সদ্য জি২০তে ‘ডিসকাশন অন গ্🍷লোবাল জিওপলিটিক্যাল সিচুয়েশন’ শীর্ষক আলোচনায় এস জয়শংকর বলেন,' বৈশ্বিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি যেকোনো সংজ্ঞা দ্বারা আবদ্ধ করা কঠিন থেকে যায়। এর মধ্যে কয়েকটি হল কোভিড মহামারী, সংঘাতের পরিস্থিতি, আর্থিক চাপ, খাদ্য নিরাপত্তা এবং জলবায়ু সংক্রান্ত উদ্বেগের সঞ্চিত চ্যালেঞ্জ।' এছাড়াও তাঁর ভাষণে পশ্চিম এশিয়ায় ভারতের পরিস্থিতি সংক্রান্ত বিষয় তিনি তুলে ধরেন। তাঁর ভাষণে উঠে আসে ইউক্রেন সংঘাত থেকে ইন্দো-পেসিফিক এলাকার বিষয়।