সলমন রুশদি। নিউ ইয়র্কের মঞ্চে তাঁর উপর হামলা হয়েছে। গোটা বিশ্ব এই ঘটনার নিন্দায় সরব। কিন্তু কেমন আౠছে সলমন রুশদির পৈত্রিক ভিটে? সেই ২০০২ সালে শেষ বার তিনি এসেছিলেন হিমাচল প্রদেশের সোলানের এই🏅 পৈত্রিক ভিটেতে। বর্তমানে গোবিন্দ রাম নামে এক ব্যক্তি ওই বাড়ির দেখাশোনা করেন।
প্রায় পাঁচ বছরের আইনী লড়াইয়ের পরে এই বাড়িটি উদ্ধার করেছিলেন রুশ🤪দি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত এই বাড়িটি জরাজীর্ণ হয়েই পড়ে রয়েছে। অ্যানিস ভিলাতে আছে ১৪টি ঘর। ৬টি বড় ঘর, শোয়ার ঘর, একটি হল, রান্নাঘর, ওয়াশরুম।
ওই বাড়ির♓ কেয়ারটেকারের স্ত্রী জানিয়েছেন, সলমন রুশদি আমার স্বামীকে জানিয়েছিলেন বাড়িটি দেখাশোনা করার জন্য। তিনি বলেছিলেন বাড়ি সংস্কারের জন্য় তিনি টাকা পাঠাবেন। কিন্তু ২০১৫ সালের পর থেকে টাকাও আর আসেনি। স্বামীর বেতনও আসেনি। ২০০২ সালের পর রুশদি অথবা তাঁর কোনও আত্মীয় এখানে আসেননি।
তাঁদের দাবি, ২০১৫ সাল পর্যন্ত ৮ হাজার টাকা করে বেতন তাঁর অ্যাকাউন্টে আসত। এরপর সেটা✱ও বন্ধ হয়ে যায়। বাংলোরꦓ অবস্থাও জরাজীর্ণ। ইলেকট্রিকের বিল, জলের বিলও নিজেদের দিতে হচ্ছে। ছাদ চুঁইয়ে জল পড়ছে। জানালা দরজার কাঁচও ভেঙে গিয়েছে। কোনওরকমে পলিথিন দিয়ে দল আটকানোর ব্যবস্থা কর𓆏া হয়েছে।
এদিকে এই বাড়িটিতে রাইটার্স হাউজ, লাইব্রেরি করার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছিলেন রুশদ🥀ি। কিন্তু সেসব কিছুই হয়নি। রুশদির দাদু ১৯২৭ সালে এটি কিনেছিলেন। পরে সেই💟 বিল্ডিংয়ে হিমাচল সরকারের অফিস তৈরি হয়েছিল। পরে সেই বাড়ির মালিকানা দাবি করেছিলেন রুশদি। কিন্তু বাড়ি উদ্ধার করা গেলেও সেটির ব্যাপারে খোঁজও রাখেননি তিনি। দাবি অনেকের।