আবারও সংযুক্ত আরব আমিরশাহী (ইউএই)-তে দুই ভারতীয়কে ফাঁসি 🦂দেওয়া হল। দাবি করা ꩲহচ্ছে, তাঁরা দু'জনেই দু'টি পৃথক খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছিলেন এবং সেখানকার আইন অনুসারে তাঁদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল। ইতিমধ্যেই সেই সাজা কার্যকর করা হয়েছে।
ইউএই-র সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়ম মাফিক এই😼 তথ্য সেখানকার ভারতীয় দূতাবাসকে জানানো হয়। এবং তারপর ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের পক্ষ থেকে ওই দুই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয় এবং তাঁদের এই দুঃসংবাদ জানানো হয়। বিদেশ মন্ত্রকের তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে, যাতে সমস্ত প্রথা ও রীতি মেনে নিহতꩵ দু'জনের দেহ কবর দেওয়া হয় ও শেষকৃত্য সারা হয়, তারা সেই বিষয়টি দেখবে। এবং পরিবারের সদস্যরা যাতে সেই ক্রিয়াকর্মে অংশ নিতে পারেন, তারও ব্যবস্থা করা হবে।
নিহত ওই দুই যুবকই ছিলেন আদতে ভারতের কেরালার বাসিন্দা। তাঁদের মধ্যে মুরলীধরনের বয়স ছিল ৪৩ বছর। তাঁর বাড়ি কান্নুরের থাইল এলাকায়। এবং ২৯ বছরের মহম্মদ রিনাশের বাড়ি থালাস্সেরির নেট্টুর এলাকಌায়।
মহম্মদ রিনাশের সঙ্গে কী হয়েছিল?
জীবিকার সন্ধানে ৩ বছর আগে দুবাই গিয়েছিলেন মহম্মদ রিনাশ। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর এক নাগরিককে খুন 🦩করার অপরাধে ২০২৩ সালে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড 🌃দেওয়া হয়।
সূত্রের দাবি, রিনাশের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে পড়𒆙েছিলেন স্থানীয় বাসিন্দা জিয়াদ রশিদ আল মনসুরি। তিনি মানসিকভাবে স্থিতিশীল ছিলেন না বলে দাবি করা হয়েছে। বিবাদ চরমে উঠলে তাঁদের মধ্যে মারপিট শুরু হয়ে যায়। এবং সেই সময়েই রাগের বশে মনসুরিকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে খুন করেন রিনাশ। এরপর প্রায় ২ ব🐽ছর আল আইন মানাসির কারাগারে বন্দি ছিলেন ভারতের কেরালার ওই যুবক।
অন্যদিকে, রিনাশের মায়ের দাবি, তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে আগে কোনও দিন কোনও ক্রিমিনাল রেকর্ড ছিল না। এবং তিনি কখনও 𝓰কোনও অপরাধের সঙ্গে জড়িয়েও পড়েননি। তিনি এই ঘটনায় সরকার ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়ে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী, সাংসদ শফি পরমবিল ও ভারতীয় দূতাবাসের কাছে আবেদনও ಞপাঠিয়েছেন।
মুরলীধরনের সঙ্গে কী হয়েছিল?
মুরলীধরন একজন ভারতীয় নাগরিককেই খুন করেছিলেন বলে দাবি করা হচ্ছে। নিহত🃏 সেই ব্যক্তির নাম - মইদীন। সূত্রের দাবি, ডাকাতির চেষ্টা করার সময় এই খুনের ঘটনাটি ঘটে।
ঘটনা প্রসঙ্গে জানা যায়, বেশ কিছুদিন ধরেই নাকি নিরুদ্দেশ ছিলেন মইদীন। এ নিয়ে ইউএই সরকারের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তদন্তে দেখা যায়, মইদীনের মোবাইল ব্যবহার করছেন মুরলীধরন। পরে মর♌ভূমিতে কবর দেওয়া অবস্থায় মইদীনের দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এরপরই মুরলীধরনকে গ্রেফতার করাꦅ হয়।
বিদেশ মন্ত্রকের বক্তব্য:
বিদেশ মন্ত্রকের দাবি, তাদের তরফে এই দু'জন🐬েরই প্রাণ বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করা হয়েছিল এবং🎃 দু'জনকেই আইনি সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছিল। তবে, শেষমেশ তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে স্বজন হারানো দু'টি পরিবারেরই পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সূত্রের দাবি, শেষবারের মতো ছেলেকে এ🎐কবার চাক্ষুষ করতে ইতিমধ্যেই দুবাই রওনা দিয়েছেন রিনাশের মা ও আত্মীয়রা।