🌜 এক মহিলার দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বেঙ্গালুরুর হুলিমাভু সংলগ্ন এক এলাকায়। সেখানে ৩২ বছর বয়সী গৌরী অনিল সাম্বেকার নামে এক মহিলার দেহ বাড়ির বাথরুমের ভিতর সুটকেসবন্দি অবস্থায় উদ্ধার হয়েছে। ওই মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হতেই পুনে থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁর স্বামীকে। মনে করা হচ্ছে এই ঘটনায় অভিযুক্ত রয়েছেন তাঁর স্বামী।
জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত স্বামী রাকেশ সাম্বেকর, নিজেই গৌরীর বাবা মাকে এই খুনের কথা জানান। এরপরই পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার। মহারাষ্ট্র পুলিশের তরফে খবর যায় কর্ণাটক পুলিশের কাছে। এরপর বেঙ্গালুরুর হুলিমাভু পুলিশ খবর পেতেই পৌঁছে যায় ঘটনাস্থলে। সিনিয়র পুলিশ অফিসার সারাহ ফতিমা বলেন,'যখন বেঙ্গালুরপ পুলিশ সেখানে পৌঁছয়, তখন দেখা যায় বাড়িটির দরজা বাইরে থেকে বন্ধ ছিল। ভিতরে ঢুকতেই বাড়ির বাথরুম থেকে ওই মহিলার দেহ সুটকেস বন্দি অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।' জানা যাচ্ছে, বাড়িতে এমন একটি ঘটনা সম্পর্কে আঁচ করে বেঙ্গালুরু পুলিশের কন্ট্রোল রুমে ফোনও করেন। জানা গিয়েছে, ওই সুটকেসবন্দি দেহ কোনও খণ্ড অবস্থায় পাওয়া যায়নি। তবে পুলিশ বলছে, দেহের নানান অংশে রয়েছে আঘাতের চিহ্ন🌟। আপাতত দেহ ময়নাতদন্ত করতে দেওয়া হয়েছে।
জানা যাচ্ছে, বেঙ্গালুরুর হুলিমাভু পুলিশ স্টেশনের আওতায় থাকা ওই এলাকায় গত মাসেই থাকতে আসে মহারাষ্ট্রের ওই দম্পতি। গৌরী মাস কমিউনিকেশনে ছিলেন স্নাতক। আর তাঁর স্বামী এক প্রাইভেট সংস্থায় কাজ করতেন। বেশিরভাগ সময়ই তিনি ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ নিয়ে কাজ করতেন। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে এই হত্যাকাণ্ড কোন ঘটনা ঘিরে? পুলিশ জানাচ্ছে, ঘটনার পর থেকেই পলাতক মহিলার স্বামী। রাকেশের ফোন টꦑ্র্যাক করে তথ্য মেলে তার গতিবিধির, তার জেরেই খুঁজে পাওয়া যায় অভিযুক্তকে। তবে হত্যাকাণ্ডের নে🙈পথ্য কারণ, ধৃত রাকেশকে জেরার পরই জানা যাবে বলেজ জানিয়েছে পুলিশ।