সময় মতোই লন্ডনের অকဣ্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষণ ঘিরে অনুষ্ঠান। বক্তব্যের শুরু থেকেই চেনা মেজাজে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভাষণের শুরুতে তাঁর জীবন ঘিরে নানান লড়াইয়ের কথা তুলে ধরেন তিনি।ভাষণে মমতা কথা প্রসঙ্গে তুলে ধরেন রাজ্যের নানান উন্নয়নমূলক দিকের কথা। সেই সময়ই তিনি রাজ্যে বিনিয়োগ নিয়ে একটি তথ্য প্রদান করছিলেন। এমন সময়ই দর্শকাসন থেকে ধেয়ে আসে প্রশ্ন। চড়ে থাকে পারদ। কী উত্তর দিলেন দিদি?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লন্ডনের বুকে দাঁড়িয়ে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে তখন বক্তব্য রাখছিলেন। তাঁর ভাষণে আসে কর্মসংস্থান প্রসঙ্গ। হঠাৎই দর্শকাসন থেকে প্রশ্ন আসে টাটা গোষ্ঠীকে নিয়ে। প্রসঙ্গত, একটা সময় পশ্চিমবঙ্গের সিঙ্গুর থেকে টাটা গোষ্ঠী তাদের প্রকল্প তুলে নেয়। এদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁর অক্সফোর্ডের ভাষণে বলতে থাকেন, ‘কলকাতা হচ্ছে কর্মসংস্থানের ডেস্টিনেশন (গন্তব্য)।’ তুলে ধরেন বিনিয়োগের বিষয়টি। মমতা বলেন,'গত কয়েক বছরে বেকারত্বের হার ৪৬ শতাংশ কমেছে।' তিনি বলেন,বহু ইন্ডাস্ট্রি বাংলায় আসছে। তিনি ꦺপশ্চিমবঙ্গ বিজনেস সামিটের কথাও উল্লেখ করেন। ‘এখনও পর্যন্ত ২৩ লাখের বেশি মানে ২৩ লাখ মিলিয়ন বিনিয়োগ প্রস্তাব আসছে..’। এমন সময়ই দর্শকাসন থেকে আসে প্রশ্ন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দেখা যায় ধৈর্য ধরেই সেই প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এরপরও প্রশ্ন করা হতে থাকে। জবাবে মমতা বলেন,'….সেটা হতে পারে আইবিএম, এটা হতে পারে টাটা, এটা হতে পারে ইনফোটেক, উইপ্রো, হতে পারে দেউচা পাচমি..'। তারপরই দর্শকাসন থেকে কোনও একটি বক্তব্য আসে, জবাবে দিদি বলেন,'ওটা ভুল। টাটা কগনিজেন্ট আছে.. ওরা টাটা কনগনিজেন্ট শুরু করেছে।' দর্শকাসন থেকে আবার আসে পাল্টা বক্তব্য, মমতা ধৈর্য ধরে রেখে বলেন,'আমি মিথ্যা কথা বলছি না। আমার ভাই আপনি শুনুন।'
এদিকে, গোটা ঘটনায় পারদ চড়তে থাকে। আসে আরজি কর প্রসঙ্গ। একের পর এক প্রশ্ন আসতে থাকে দর্শকাসন থেকে। মমতা বলেন,'এটা গণতন্ত্র। সকলের প্রশ্ন করার অধিকার আছে। আপনাদের বিরোধিতায় আমি উৎসাহ পাই।' খনিকের জন্য অনুষ্ঠানে চাঞ্চল্য তৈরি হলেও, শেষমেশ বক্তব্য রেখে, ভাষণ শেষ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ꦓ।