আবারও প্রকাশ্যেই চলল এলোপাথাড়ি গুলি! এই ঘটনা ঘটেছে কলকাতা শহর লাগোয়া রাজারহাট এলাকায়। প্রাথমিকভাবে দাবি করা হচ্ছে, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব। শোনা যাচ্ছে, শুক্রবার (৪ এপ্রিল, ২০২৫) তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় দুই গোষ্ঠীর সদস্য়রা পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। তার জেরেই এলাকায় প্রকাশ্যে গুলিꦐ চলে বলে অভিযোগ।
আরও দাবি করা হচ্ছে, তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত এবং রাজারহাট-নিউ টাউনের তৃণমূল বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়ের অনুগামীদের মধ্যে বিবাদের জেরেই এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। জানা গিয়েছে, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে যখন মারপিট হচ্ছিল, তখনই গুলি চলে। অভিযোগ করা হচ্ছে, তাপসের অনুাগামীরাই নাকি সব্যসাচীর অনুগামীদের উপর প্রথম হামলা চালান। পালটা রুখে দাঁড়ান সব্যসাচীর অনুগামীরাও। তার ফলেই অশন্তি শুরু হয়। ক্রমেꦜ তা সংঘর্ষের আকার নেয়। এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
এই ঘটনায় সংবাদমাধ্যমে সব্যসাচী দত্ত ও তাপস চট্টোপাধ্য়ায়ের যে বক্তব্য় সামনে এসেছে, তাও পরস্পরবিরোধী। সব্যসাচীর দাবি, তিনি এই সংঘর্ষের কথা শুনেছেন। তাঁর মতে, যারা এসব করে, তারা সব দুষ্কৃতী। দুষ্কৃতীদে♏র কোনও আলাদা পরিচয় হয় না। তাদের একটাই পরিচয় - তারা দুষ্কৃতী। সব্য়সাচীর দাবি, এইসব দুষ্কৃতীদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মো🗹টেও প্রশ্রয় দেন না।
অন্যদিকে তাপস চট্টোপাধ্যায় একেবারে উলটো দাবি করেন। তিনি বলেন,▨ রাজারহাট - নিউ টাউন এলাকায় সকলেই তাঁর অনুগামী। 🐈তাঁরা কেউই দুষ্কৃতী নন। তাপসের অভিযোগ, জনমানসে তাঁর ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্যই এই ধরনের সমস্ত ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। তবে, পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। তাতে কী উঠে আসে, আপাতত সেটাই দেখতে চান তিনি।