বেশকিছুদিন ধরেই চর্চায় রয়েছেন অরিজিৎ সিং ও তাঁর বিশ্ববিখ্যাত ডিজে বন্ধু মার্টিন গ্যারিক্স। মার্চের শুরু থেকেই এদেশে রয়েছেন মꩲার্টিন। ভারতে এসে কোনও নামী শহরে নয়, সোজা পৌঁছেগিয়েছিলেন বন্ধু অরিজিতের জিয়াগঞ্জের বাড়িতে। নিজেই সেখান থেকে বেশকিছু ছবি ও ভিডিয়ো পোস্ট করেন। আর তারপরই বিষয়টি জানাজানি হয়।
খুব শীঘ্রই অরিজিৎ ও মার্টিনের যৌথ উদ্যোগে আসছে ‘অ্যাঞ্জেলস ফর ইচ আদার’। আরিজিতের জিয়াগঞ্জের বাড়িতে গত মার্চে সেই গানেরই জ্যামিং সেশনে দেখা গিয়েছিল মার্টিনকে। পরে মুম্বই-এর শোতে একসঙ্গে সেই গান করেন এই দুই শিল্পী জুটি। সম্প্রতি স্পটিফাই ইন্ডিয়ার স্টুডিয়োতে নিজেদের সেরা অনুরাগীদের সেই অপ্রকাশিত গান শুনতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন অরিজিৎ ও মার্টিন। স☂েই মুহূর্তেরই একটি ভিডিয়ো উঠে এসেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
ভিডিয়োটি অবশ্য একটু পুরন🐭ো। হোলির সময়কালীন মুম্বই-এর শোয়ের আগে ভিডিয়োটি করা হয়েছিল। ভিডিয়োর শুরুতেই অরিজিৎ ও মার্টিনকে স্পটিফাই ইন্ডিয়ার অফিসে ঢোকার সময় অনুরাগীদের সামনে হাতজোড় করতে দেখা যায়। তারপর সকলের সঙ্গে আলাদা করে আলাপ করেন দুই শিল্পী। বহু অনুরাগীর সঙ্গে কথা বলতে, আলাপ করতে দেখা যায় তাঁদের। অনুরাগীদের সঙ্গে চেয়ারে পাশাপাশি বসে গান শুনও শোনেন অরিজিৎ সিং ও মার্টিন গ্যারিক্স।
আরও পড়ুন⛦-‘সতীনে সতীনে ভাব’! রীনার সঙ্গে সেলফি কিরণেไর, আমিরের বাড়িতে দেখা মিলল না তাঁর গৌরীর
ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, দিব্যি 🌱পায়ে তাল দিতে দিতে ঘাড় নাড়তে নাড়তে গান শুনছেন দুই শিল্পী। কিন্তু একী! গানের লাইন ও অর্থ নিয়েও অনুরাগীদের সঙ্গে বিভিন্ন কথা ভাগ করে নেন তাঁরা। মার্টিনকে বলতে শোনা যায়, ‘গানের মধ্যে যে মেসেজ রয়েছে, আমার সেটা ভালো লেগেছে। আশাকরি সকলের ভালো লাগবে। সকলের প্রশংসা পাব।’
তারপর আবার গানটি শোনার সময় সকলে যখন দিব্😼যি চেয়ারে বসে, তখন হঠাৎই চেয়ার থেকে নেমে মাটিতে স্বচ্ছন্দে বসেন 'মাটির মানুষ' অরিজিৎ। বন্ধুর দেখা𒐪দেখি মাটিতে বসে পড়েন মার্টিনও।
ভিডিয়োটি দেখে অনেকেই অরিজিৎ ও মার্টিনের সুন্দর বন্ধুত্বের প্রশংসা করেছেন। একজন আফসোস করে লিখেছেন, ‘ইস আমিও যদি একবার মার্টিনের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ পেতাম…আমাদেরও হয়ত দারুণ বন্ধুত্ব হত!’ অনেকেই লিখেছেন, ‘আমরা ༺গ꧒ান শুনতে তৈরি।’ আরেকজনের মন্তব্য, ‘দুজনকেই খুব ভালোবাসি।’
আরও একজন দুই শিল্পীর প্রশংসা করে লেখেন, ‘অরিজিৎ যখন🉐 মেঝেতে বসলেন, তখন মার্টিনও দ্রুত তাঁর সঙ্গে মেঝেতে নেমে এলেন। কী ভদ্র। মার্টিন গ্যারিক্স বিশ্বের সবচেয়ে নম্র ও প্রতিভাবান ব্যক্তিদের মধ্যে একজন। উনি সত্যিই সম্মানের যোগ্য। নতুন ট্র🦂্যাকের জন্য অপেক্ষা আর সইছে না।’ এমনই অসংখ্য মন্তব্য উঠে এসেছে।