৩৬ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটল। এত দিন পর কার্যত চুপচাপ ভারতের বাজারে ফিরল সꦆেলে🍸ব্রিটি সাহিত্যিক সলমন রুশদির লেখা উপন্য়াস 'দ্য স্যাটানিক ভার্সেস'।
ভারতে এই বইটিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। সেই সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন রাজীব গান্ধী। অভিযোগ ছিল, এই বইয়ের বিষয়বস্তু নাকি ইসলামবিরোধী। এমনকী, বহু ইসলামপন্থী সংগঠন এꦏই বইট🌠ির প্রবল সমালোচনাও করেছিল। মূলত, সেই কারণেই ভারতে বইটি নিষিদ্ধ করা হয়।
সম্প্রতি জানা যায়, ভারতে এই বইয়ের উপর আর কোনও নিষেধাজ্ঞা থাকবে না𒉰। আর, ইতিমধ্য়েই রাজধানী দিল্লির একটি বিখ্যাত বইয়ের দোকানে বইটির বিক্🧔রি শুরু হয়ে গিয়েছে। যে কেউ চাইলেই সেটি কিনে পড়তে পারেন। এ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় ওই বিপণনীর তরফে পোস্টও করা হয়েছে।
তারা তাদের এক্স অ্য়াকাউন্টে লিখেছে, ‘বারিসন্স বুকসেলার্সেꦅ পাওয়া যাচ্ছে দ্য স্য়াটানিক ভার্সেস! এই যুগান্তকারী এবং রোমাঞ্চকর উপন্যাসটি তার কাল্পন🍌িক কাহিনি বলার জন্য এবং একটি সাহসি বিষয়ের মাধ্যমে কয়েক দশক ধরে পাঠকদের বুঁদ করে রেখেছে। এটি প্রকাশের পর থেকেই সারা বিশ্বে বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। এই উপন্যাস স্বাধীন মত প্রকাশ করেছে। এবং বিশ্বাস ও শিল্প নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।’
সংস্থার বর্তমান মালিক রজনী মালহোত্রা সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছেন, 'মাত্র কিছু দিন আগেই আমরা এই বইটি হাতে পেয়েছি। আর এর মধ্যেই বইটিꩲ নিয়ে ভীষণ ভালো সাড়া পাচ্ছি। বইটির বিক্রি খুব ভালো হচ্ছে।' প্রসঙ্গত, সলমন রুশদির এই বইটির দাম রাখা হয়েছে ১,৯৯৯ টাকা!
প্রকাশনা সংস্থা পেঙ্গুয়িন ব়্য়ানডম হাউস ইন্ডিয়া-র মুখ্য সম্পাদক মানসী সুব্রামণিয়মও এই বিষয়টি নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। তিনি রুশꦫদিকে উদ্ধৃত করেই পোস্টটি করেছেন।
তবে, এখনও পর্যন্ত যত দূর জানা গি🔯য়েছে, অন্য়ান্য বিখ্যাত পুস্তক বিপণনীগুলি এখনই এই বইটি বিদেশ থেকে আমদানি করার কোনও পরিকল্পনা করেনি। সেই তালিকায় অন্যতম হল - মিডল্য়ান্ড বুক শপ, ওম বুক শপ প্রভৃতি।
কীভাবে ভারতের বাজারে ফিরল 'দ্য স্যাটানিক ভার্সেস'?
আসলে রাজীব গান্ধী প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন সলমন রুশদির লেখা এই বইটিকে ভারত সরকারের তরফে নিষিদ্ধ🤡 ঘোষণা করা হলেও সেই নিষেধাজ্ঞার স্বপক্ষে নাকি কোনও প্রমাণই পাওয়া যায়নি! বিষয়টি সামনে আসে গত নভেম্বর মাসে।
রাজীব গান্ধী সরকারের 'নিষেধাজ্ঞা' চ্যালেঞ্জ করে মামলা রুজু করা হয়েছিল দিল্লি হাইকোর্টে। সেই মামলার শুনানিতে জানা যায়, সংশ্লিষ্ট নিষেধাজ্ঞা - যার মাধ্যমে ♋'দ্য স্যাটানিক ভার্সেস'-এর আমদানি ভারতে বন্ধ করা হয়েছিল বলে এত দিন ধরে দাবি করা হয়েছে, সেটি না♛কি খুঁজেই পাওয়া যায়নি।
যার জেরে আদালত মামলাটির শুনানিই বন্ধ করে দেয়। এবং বলা হয়, এই মামলায় প্রয়োজনীয় নথি আদালতে পেশ করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষ ব্যর্থ হয়েছে। এমনকী, এও বলা হয়, 'হয়তো সেই নথি আদতে নেই'! প্রসঙ্গত⛄, সংশ্লিষ্ট নিষেধাজ্ঞাটি ১৯৮৮ সালের ৫ অক্টোবর জারি করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়।
এরপরই ভার🔯তে বইটির ফেরা একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে যায়। উঠে 🐓যায় এত দিনের নিষেধাজ্ঞা। তবে, ভারতের বাজারে বইটি ফিরলেও এর দাম নিয়ে অনেকেই সন্তুষ্ট নন।