স্ত্রীকে গুলি করে তিন সন্তানকে খুনের অভিযোগে উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে এক বিজেপি কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। স্থানীয় পুলিশ সুপার রোহিত সাজওয়ান জানান, গত ২২ মার্চ সাগাথেদা গ্রামে অভিযুক্ত যোগেশ রোহিলা পুলিশকে জানায়, সে তার পরিবারকে গুলি করে খুন করেছে। পুলিশ আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন যে রোহিলা পুলিশকে বলেছিলেন যে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন কারণ তিনি বিশ্বাস করেছিলেন যে তাঁর স্ত্রী নেহার বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে এবং বহু চেষ্টা সত্ত্বেও তিনি অন্য ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক শেষ করতে পারবেন না। (আরও পড়ুন: বয়ানবাজির পর্ব শেষ? সেনা কর্তাদের গু﷽রুত্বপূর্ণ বৈঠক ঘিরে বাংলাদেশে জল্পনা তুঙ্গে)
আরও পড়ুন: ২🔯০২৪-এর প্রথম ১১ মাসে বাংলায় লগ্নি প্রস্তাব ৩৯১৩৩ কোটির, আর বাস্তবায়ন হয়েছিল...
এই ঘটনা প্রসঙ্গে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) সাগর জৈন জানিয়েছেন, স্ত্রীর বিশ্বাসঘাতকতার কারণে সমাজে নিজের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়ায় রোহিলা তাঁর স্ত্রী ও তিন সন্তানকে লক্ষ্য করে নিজের লাইসেন্স করা রিভলবার দিয়ে গুলি চালায়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার দুই সন্তান - ১২ বছরের শ্রদ্ধা ও পাঁচ বছরের দেবাংশের। তাঁর স্ত্রী ও ৭ বছরের ছেলে শিবাংশকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় গুরুতর অবস্থায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে তার স্ত্রীকে চিকিৎসার জন্য মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তরিত করা হয়। শিশুদের ময়নাতদন্ত শেষ হওয়ার পর ২৩ মার্চ তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। (আরও পড়ুন: ফের নয়াদিল্লি স্টেশনে 🎐'প্রচণ্ড ভিড়', কুম্ভকালে পদপিষ্টের দুঃস্বপ্নে ঘুম ভাঙল রেলের)
আরও পড়ুন: কাঠুয়ায় এনকাউন্টারে জখম নাবালিকা, পুঞ্চဣে বড়সড় হামলার ছ💖ক বানচাল করল সেনা
এই ঘটনায় অভিযুক্ত বিজেপি কর্মী যোগেশ রোহিলাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং একটি লাইসেন্স করা পিস্তল, চারটি শেল, ১০টি তাজা কার্তুজ, বন্দুকের ব্যারেলে বাজেয়াপ্ত রা হয়েছে। এছাড়া যোগেশের কাছ থেকে দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে রোহিলা জানিয়েছে, সে প্রপার্টি ডিলার হিসেবে কাজ করত। ২০১২ স🗹ালে প্রথম স্ত্রী মারা যাওয়ার পর ২০১৩ সালে শামলি জেলার কৈরানার বাসিন্দা নেহাকে বিয়ে করেছিল সে। এএসপি জানিয়েছেন, তার স্ত্রী নেহার ভাই রজনীশ কুমার অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং যোগেশ রোহিলার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দলের এক কর্মী নিজের তিন সন্তানকে গুলি করে খুন করার পরও কোনও বিবৃতি দেয়নি বিজেপি। তবে গাঙ্গোহ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক কিরাত সিং পিটিআইকে বলেন, 'আমি জানি না কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। এটা বেদনাদায়ক।' এদিকে যোগেশ রোহিলা কোনও দলীয় পদে ছিলেন কি না জানতে চাওয়া হলে বিধায়ক বলেছিলেন, 'ঘটনাটি অমানবিক এবং এই লোকটি কোন রাজনৈতিক দলকে ꦦসমর্থন করে তা 🗹প্রশ্ন নয়।'