পাকিস্তান লাগোয়া সীমান্তে ক্রমেই সহিংসতা বাড়ছে। বিএসএফ সূত্রে খবর, শুক্র ও শনিবারের মধ্যবর্তী রাতে জম্মু সেক্টরে পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা হচ্ছিল। সেই সময় জওয়ানরা বিষয়টি জানতে পেরে অনুপ্রবেশের চেষ্টা বানচাল করে দেন। এই গোটা ঘটনায় এক পাকিস্তানি অনুপ্রবেশকারীর মৃত্যুও হয়েছে। (আরও পড়ুন: ꦗ'ইউনুসের বিরুদ্ধে বাংলাদেশে তৎপর ভারতীয় RAW এজেন্টরা...')
আরও পড়ুন: ✅ভারতে ওয়াকফ সংশোধনী পাশ হতে বাংলাদেশ থেকে 'কান্নার সুর' ভাসাল জামাতের ছাত্রশিবির
এই বিষয়ে এক বিএসএফ কর্তা বলেন, 'গতকাল গভীর রাতে আমাদের সেনারা জম্মু সীমান্ত এলাকায় আন্তর্জাতিক সীমান্তে কিছু সন্দেহজনক গতিবিধি লক্ষ্য করে। অনুপ্রবেশকারীকে আর না এগিয়ে আত্মসমর্পণ করতে বলেছিল আমাদের জওয়নরা। কিন্তু অনুপ্রবেশকারীরা তাতে সাড়া না দিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে। অবশেষে বিপদ আঁচ করতে পেরে আমাদের সৈন্যরা অনুপ্রবেশকারীকে হত্যা করে।' (আরও পড়ুন: 🥂'ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক…', মোদী-ইউনুস বৈঠকের পর বড় মন্তব্য হাসিনা বিরোধী নেতার)
আরও পড়ুন: 💮ভারতকে শুল্কে ছাড় দিতে পারেন ট্রাম্প? মার্কিন রিপোর্টে সামনে এল নয়া দাবি
আরও পড়ুন: 💮কানাডায় ভারতীয় নাগরিককে খুন, মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য, মুখ খুলল দূতাবাস
আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে পাকিস্তান রেঞ্জার্সের কাছে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। অনুপ্রবেশকারীর পরিচয় এবং তার উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এদিকে ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় পুলিশকে অবগত করেছে বিএসএফ। এরপর ঘটনাস্থল থেকে অনুপ্রবেশকারীর মৃতেহ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় ময়নতদন্তের জন্যে। এছাড়া বাকি আইনি প্রক্রিয়াও সম্পন্ন করছে বিএসএফ। (আরও পড়ুন: 🙈আরও বড় ধস মার্কিন শেয়ার বাজারে, ডাও জোনসে পতন ২২৩১ পয়েন্ট, নাসডাক পড়ল ৫.৮২%)
আরও পড়ুন: ও'...যথেষ্ট আন্তরিক', মোদী-ইউনুসের ৪০ মিনিটের বৈঠকে 'আনন্দ পেয়েছে' BNP
෴এর আগে ১ এপ্রিল জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে অনুপ্রবেশ করে পাকিস্তানি সেনা। কৃষ্ণা ঘাটি ব্রিগেডের অধীনে পরিচালিত নাঙ্গি টেকরি ব্যাটালিয়নের ওপর বিনা প্ররোচনায় এই হামলা চালানো হয়। জানা যায়, কৃষ্ণা ঘাটি সেক্টরে মাইন বিস্ফোরণ ঘটে পাক সেনার অনুপ্রবেশের কারণে। এরপরই বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় পাক সেনা। সেই ঘটনায় একাধিক পাক জওয়ানের মৃত্যু হয় বলে জানা গিয়েছিল। এই আবহে নিয়ন্ত্রণ রেখায় শান্তি বজায় রাখতে ২০২১ সালের ডিজিএসএমও বোঝাপড়ার নীতি বজায় রাখার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে ভারতীয় সেনাবাহিনী।