কিছুদিন আগেই কানাডায় আগাম ভোট ঘোষিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির এই পদক্ষেপের পর থেকেই কানাডায় নির্ধারিত সময়ের ৬ মাস আগে এই ভোট ঘিরে তুঙ্গে রাজনৈতিক পারদ। তারই মধ্যে কানাডার গোয়েন্দা বিভাগ দাবি করেছে, কা🌱নাডার ভোটে নাক গলাতে পারে ভারত। শুধু ভারতই নয়, কানাডার স্পাই এজেন্সির দাবি, ভারতের পাশাপাশি চিন, রাশিয়া, পাকিস্তানও এই নির্বাচনে নাক গলাতে পারে।
ট্রুডো আমলের শেষ দিক থেকেই দিল্লি অটওয়া সম্পর্ক বেশ শীতল। এদিকে, এরই মাঝে কানাডার গোয়েন্দা বিভাগ দাবি করেছে, তাদের দেশের আসন্ন সাধারণ নির্বাচনে ভারত হস্তক্ষেপ করতে পারে। এদিকে, শুধু ভারতই নয়, কানাডার সঙ্গে চিনের সম্পর্কেও পুরনো উষ্ণতা সেভাবে প্রকট নয়। এই পরিস্থিতিতে, ভারত, চিন, রাশিয়া সহ একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কানাডার নির্বাচনে হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার দাবি করছে ‘কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টালিজেন্স সার্ভিস’। কানাডিয়ান সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের ডেপুটি ডিরেক্টর, ভেনেসা লয়েড দাবি করছেন, যে শত্রু রাষ্ট্রের শক্তিগুলি নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার জন্য আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সকে ক্রমবর্ধমানভাবে কাজে লাগাচ্ছে। তিনি বলেন, ‘চলতি নির্বাচনে কানাডার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার জন্য পিআরসি-র (গণপ্রজাতন্ত্রী চিন) কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সক্ষম সরঞ্জাম ব্যবহার করার সম্ভাবনা বেশি।’ তিনি ভারতের বিরুদ্ধে আঙুল তুলে দা✤বি করেন,' আমরা আরও দেখেছি যে ভারত সরকারের কানাডিয়ান সম্প্রদায় এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করার ইচ্ছা এবং ক্ষমতা রয়েছে।'
( Mamata on London: লন্ডন ‘অনেকটা কলকাতার মতোই’, পৌঁছে পোস্ট মমতার, অক্সফোর্ডে পাশে থাকব𒐪েন সৌরভ!)
উল্লেখ্য, খলিস্তানপন্থী হরদীপ নিজ্জরের হত্যাকাণ্ড ঘিরে ট্রুডো আমলেই কানাডা দিল্লির দিকে আঙুল তুলেছিল। অন্যদিকে, সেদেশের মাটিতে খলিস্তানপন্থীদের ভারত বিরোধিতা নিয়েও সরব হয়েছিল দিল্লি। তারপর থেকেই দিল্লি, অটোয়া সম্পর্ক খুব একটা সুখকর জায়গায় নেই। সেই প্রেক্ষাপটে কানাডার নতুন দাবি কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্য♑পূর্ণ। এর আগেও কানাডার তরফে ভারতের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ তোলা হয়, যা খণ্ডন করে দিল্লি। একইভাবে নির্বাচনে হস্তক্ষেপের সম্ভাবনার অভিযোগ ওটাওয়া, বেজিংয়ের দিকেও তোলে। বেজিংও তা নস্যাৎ করে। এদিকে, ভারতের সঙ্গে কানাডার সম্পর্কের অবনতির ♒ফলে দুই দেশের একাধিক কূটনীতিককে দেশগুলিতে ফেরানো হয়। এদিকে, আগামী ২৮ এপ্রিল ভোট রয়েছে কানাডায়। যা নির্ধারিত ২৭ অক্টোবরের ৬ মাস আগে সংগঠিত হচ্ছে। ট্রাম্পের দেশের সঙ্গে কানাডার শুল্ক যুদ্ধের মাঝেই কানাডায় এই ভোটের ঘোষণা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।