পাকিস্তানে মোতায়েন করা হল চিনের প্রাইভেট নিরাপত্তারক্ষী। এমনী দাবি ইন্ডিয়া টুডের রিপোর্টে। দাবি করা হচ্ছে, পাকিস্তানে চিন-পাক ইকোনমিক করিডরে কর্মরত চিনা ইঞ্জিনিয়ার এবং কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই নিরাপত্তাকর্মীদের মোতায়েন করবে চিন। উল্লেখ্য, বালোচিস্তানে বিগত দিনে বিদ্রোহীরা সক্রিয় হয়ে উঠেছে। এই আবহে চিনকেও হুঁশিয়ারি দিয়েছে বালোচ বিদ্রোহীরা। 'তাদের জায়গায়' চিনা প্রকল্প করতে দেওয়া হবে না বলে হুমকি দিয়েছে বিদ্রোহীরা। এদিকে পাক সেনা বালোচদের দমন করতে ব্যর্থ। এই আবহে পাকিস্তানে কর্মরত চিনা কর্মীদের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজের হাতেই তুলে নিল বেজিং। (আরও পড়ুন: 'ভারত-চিন সম্পর্কে ইস্যু থাকবে ভবিষ্যতেও, তবে...', অকপট𒀰 জয়শংকর)
আরও পড়ুন: RAW-ক✱ে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো US🃏CIRF-কে তুলোধোনা ভারতের, প্রশ্ন প্যাটার্ন নিয়ে
এদিকে বালোচিস্তানে একাধিক রাস্তা নাকি 'ব্লক' করে দিয়েছে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজরা। রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কোয়েটা থেকে পাকিস্তানের বিভিন্ন বড় বড় শহরকে সংযুক্ত করা রাস্তা এবং মহাসড়ক অবরোধ করা হয়েছে। মনে করা হচ্ছে বালোচ বিদ্রোহীরাই এই কাজ করেছে। এই সব 'ব্লক' রাস্তার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা গিয়েছে, মুখ ঢাকা বন্দুকবাজের পিঠে রয়েছে বালোচিস্তানের পতাকা। (আরও পড়ুন: শুল্ক ইস্যুতে চিন-কানাডার সঙ্গে একসারিতে ভারতকে রাখবেꦚ না আমেরিকা, দাবি 💯রিপোর্টে)
আরও পড়ুন: চিন সফরের আগে উথলꦯে পড়ল ইউনুসের 'ভারত প্রেম', সামনে এল নয়া তথ্য
আরও পড়ুন: বাংলাদেশে 🧔সংখ্যালঘু নির্যꩵাতনের রিপোর্ট নিয়ে বড় মন্তব্য ইউনুস সরকারের, বলা হল…
জানা গিয়েছে, কোয়েটা-তাফতান আরসিডি হাইওয়ে ব্ল ককরা 🍸হয়েছে নোশকিতে। সেখানে বালোচ বিদ্রোহীরা চেকপোস্ট তৈরি করেছে। এছাড়া কোয়েটা-করাচি, সিব্বি-কোয়েটা এবং মাকরান উপকূলীয় হাইওয়ে বন্ধ করেছে বিদ্রোহীরা। রিপোর্ট অনুযায়ী, পাক সেনার ওপর হামলা হয়েছে মন্দ,ꦛ সামি, দশ্ত, সিব্বি, তুরবত, বোলন, মাস্টাঙ, গোয়াদার, খরান সহ আরও বহু জায়গায়। দাবি করা হচ্ছে, ২ ঘণ্টার ব্যবধানে মোট ১৭টি হামলা চালায় বালোচ বিদ্রোহীরা।
এদিকে দাবি করা হচ্ছে, বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে গুলির লড়াইতে সন্ত্রাস দমন শাখার এক সাব ইন্সপেক্টর প্রাণ হারিয়েছেন মাস্টাঙে। এর আগে ক🉐ালাতেও এক নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যুর খবর সামনে আসে। এদিকে গোয়াদারের ওমরারাতেও নাকি বালোচ বিদ্রোহীদের হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ৬ জন। বিদ্রোহীরা দাবি করছে বেশ কিছু জনপদ নাকি এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে আছে।