উচ্চ গতিতে বা দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সামনে এসেছে। দিল্লি হাইকোর্ট বলেছে যে উচ্চ গতিতে গাড়ি চালানোর অর্থ এই নয় যে চালক বেপরোয়া এবং বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়েছেন। হাইকোর্টের বিচারপতি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চ এই পর্যবেক্ষণ করে গাড়ির চালককে একটি মামলায় বেকসুর খালাস করেছে। (আরও পড়ুন: ১০ দিন আগে হয় বাগদান꧅, নিজের প্রাণ দিয়ে কো-পাইলট ও আরও অনেককে বাঁচালেন IAF পাইলট)
আরও পড়ুন: বিচারপতি বর্মার বিরুদ্ধে একাধিক দাবিতে SC-তে ৬ রাজ্যের বার, আশ🍰্বস্ত করলেন CJI
মামলার বয়ান অনুযায়ী, ওই চালকের বিরুদ্ধে দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানো এবং দুই পথচারীকে ধাক্কা মারার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই দুর্ঘটনায় উভয় যাত্রীই মারা যান। ঘটনাটি ২০১২ সালের। তবে চালক দাবি করেছিলেন যে হঠাৎ টায়ার ফেটে দুর্ঘটনাটি ঘটে। অভিযোগ করা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি দ্রুত গতিতে গাড়ি চালানোর সময় দুই পথচারীকে ধাক্কা দেওয়ায় দুজনের মৃত্যু হয়। নিম্ন আদালত তাঁকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৭৯ এবং ৩০৪এ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ২০২২ সালে তাঁকে ১৮ মাসের কারাদণ্ড দেয়। পরে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন মামলাকারী। বিচারপতি সৌরভ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর্যবেক্ষণ, ‘আবেদনকারী উচ্চ গতিতে গাড়ি চালাচ্ছিলেন মানেই কেউ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হতে পারেন না যে তিনি বেপরোয়া ছিলেন এবং তাঁর অবহেলা ছিল। বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায় সাক্ষীদের সাক্ষ্য পরীক্ষা করে দেখেছেন। তাঁরা সকলেই বলেছেন যে গাড়িটি দ্রুত গতিতে চালানো হচ্ছিল। কিন্তু, বেপরোয়াভাবে চালানো হচ্ছিল কিনা সে সম্পর্কে আর কোনও বিস্তারিত তথ্য তাঁরা দিতে পারেননি। (আরও পড়ুন: শুল্ক নিয়ে ১৬টি দেশকে খানিক স্বস্তি ট্রাম♛্পের, তালিকায় নাম আছে ভারত-পাকিস্তানেরও)
আরও পড়ুন: মোদীর কাছে 'কথা'♒ শুনেও মুখে হাসি ইউনুসের, দিলেন বিশেষ উপহার
বিচারপতি আরও উল্লেখ করেছেন, এই মামলায় কিছু ত্রুটি রয়েছে। হাইকোর্ট বলেছে, টায়ার ফেটে যাওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়নি। আবেদনকারীকে খালাস দেওয়ার সময় দিল্লি হাইকোর্টের বিচারপতি বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এটꦓা প্রমাণ হয়নি যে আবেদনকারী বেপরোয়া এবং অবহেলা করে গাড়ি চালাচ্ছিলেন। এরপরেই অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস করে হাইকোর্ট। উচ্চ আদালত স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানো কোনও অপরাধ নয়, যদি না প্রমাণিত হয়🌌 যে চালক ইচ্ছাকৃতভাবে বা অবহেলার সঙ্গে নিয়ম লঙ্ঘন করেছেন।