ফের পাকিস্তানে অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজের গুলিতে নিহত এক নিষিদ্ধ ধর্মীয় গোষ্ঠীর নেতা। জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটেছে করাচিতে। মৃত নেতার নাম কারি আবদুল রহমান। তিনি আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের স্থানীয় এক নেতা ছিলেন। এই হামলায় আবদুল রহমানের বাবা সহ আরও তিনজন গুরুতর ভাবে জখম হয়েছে। ৩০ মার্চ সন্ধ্যায় কাচির লন্ধি একালায় এই হামলা চালানো হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে কয়দাবাদ পুলিশের কমান্ডিং অফিসার খুশি মহম্মদ সইদ বলেন, 'মৃত ব্যক্তি শেরপাও কলোনির একটি দোকানে ছিল। সেই সময় সশস্ত্র সন্দেহভাজনরা একটি মোটরসাইকেলে সেখানে আসে। তাদের মধ্যে একজন বাইক থেকে নেমে গুলি চালায়।' (আরও পড়ুন: 𝓀মোথাবাড়িতে শাঁখা-পলা পরতে বাধা পুলিশের? পদক্ষেপের পথে জাতীয় মহিলা কমিশন)
আরও পড়ুন: 𒁃আন্ডারগ্রাউন্ড বাঙ্কারগুলির সবকটি লঞ্চারে ক্ষেপণাস্ত্র লোড করে বসে আছে ইরান
এই ঘটনার পরই তড়িঘড়ি গুলিবিদ্ধদের করাচির জিন্নাহ পোস্টগ্র্যাজুয়েট মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্যে। সেখানে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা আবদুল রহমানকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। আবদুল রহমানের বাবা গুল রহমানকে ভরতি করা হয় হাসপাতালে। সেখানেই তার চিকিৎসা চলছে। এদিকে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের মুখপাত্র উমর মুয়াবিয়া পাক সংবাদমাধ্যম দ্য ডন-কে বলেন, নিহত কারি আবদুল রহমান দলের শেরপাও ইউনিটের সভাপতি ছিলেন। তিনি এই হত্যাকাণ্ডকে ‘সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ’ বলে অভিহিত করেছেন। (আরও পড়ুন: ♊স্বামীর ইচ্ছায় জোর করে স্ত্রীর কুমারীত্ব পরীক্ষা করানো যায়? বড় পর্যবেক্ষণ HC-র)
আরও পড়ুন: 🔯উত্তরবঙ্গের এক্সপ্রেস ট্রেনে অত্যাধুনিক কোচ, কোন রুটের যাত্রীরা পাবেন সুবিধা?
🥃 এর আগে ২০২৪ সালের মে মাসেও আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের এক নেতাকে করাচিতে খুন করা হয়েছিল। সেই সময় নিষিদ্ধ দলটির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়েছিল, 'বিদেশি এজেন্টরা' এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। সেই ঘটনায় মৃত নেতার নাম ছিল ফয়াজ খান। তাকে অফিসে ঢুকে গুলি করে হত্যা করেছিল অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা। ফয়াজের আগে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময় করাচিতে আরও দুই আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত নেতাকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিল দলটি। এদিকে এই আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের বিরুদ্ধে একাধিক হামলা সংগঠিত করার অভিযোগও আছে। ২০০২ সালে এই সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন জেনারেল পারভেজ মুশারফ। ২০১৪ সালের মার্চ মাসে করাচিতে এক পুলিশ আধিকারিককে খুন করার অভিযোগ আছে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের বিরুদ্ধে। এরপর ২০১৬ সালের অক্টোবর মাসে এক শিয়া অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ৫ জনকে খুন করার অভিযোগ ওঠে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের বিরুদ্ধে। ২০১৮ সালেও করাচিতে এক পুলিশ আধিকারিককে মারার অভিযোগ আছে আহলে সুন্নত ওয়াল জামাতের বিরুদ্ধে।