২৯ বছর আগে বিয়ে করেছিলেন সৌরভ ও ডোনা গঙ্গ🍸োপাধ্যায়। দু'জনকে এক সঙ্গে দেখতে বেশ পছন্দই করেন তাঁদের অনুরাগীরা। আর হবে নাই বা কেন, বাংলার অন্যতম বড় আইকন হলেন সৌরভ। বাঙালির কাছে তিনি 'দাদা', ‘মহারাজ’! এবার দাদা স্ত্রী ডোনার সঙ্গে লন্ডনে প্রাতঃভ্রমণ করলেন। ডোনা নিজেই সেই ছবি ভাগ করে নিলেন তাঁর অনুরাগীদের সঙ্গে, লিখলেন তিনি ভালোবেসে ফেলেছেন। কীসের প্রেমে পড়লেন ডোনা?
শনিবার সকালে ডোনা তাঁর ও সৌরভের প্রাতঃভ্রমণের একটি ছবি ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে পোস্ট করে লেখেন, 'এই আকাশ আর মেঘমালাদের ভালোবেসে ফেলেছি।' তাছাড়াও 'মহারাজের দরবার' নামে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের একটি ফ্যান পেজ থ൲েকে তাঁদের প্রাতঃভ্রমণের ভিডিয়🍌োটি প্রকাশ্যে আনা হয়।
আরও পড়ুন: 'আইসক্রিমের মতো…', তা🌌মান্নার সঙ্গে বিচ্ছেদ, সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুলল🔯েন বিজয়
ভিডিয়োয় নীল কুর্তি সঙ্গে নীল জ্যাকেট ও কালো জিন্স পরে দেখা গিয়েছে ডোনাকে। তাঁর চুল খোলা ছিল, চোখে ছিল রোদচশমা। সঙ্গে একটি বাদামি রঙের ব্যাগও নিয়েছিলেন তিনি। অন্যদিকে, 'মহ꧅ারাজ'-এর পর⭕নে ছিল বাদামি রঙের টি-শার্ট, নীল জিন্স ও সবুজ জ্যাকেট।
ডোনা তাঁদের ছবি পোস্ট করার পর নেটিজেনরা প্রিয় এই জুটিকে ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। একজন লেখেন, ‘প্রিয় দাদা এবং দিদিকে অনেক শ্রদ্ধা জানাই। 💧দীর্ঘায়ু হোক আপনাদের। সানার জন্য প্রার্থনা করি ও যেন সব সময় সুখে থাকে।’ আর একজন ডোনার ক্যাপশনের শেষেটা নিজের মতো করে লেখেন, ‘আর মানুষটাকেও।’ আর এক ব্যক্তিও তাঁর ক্যাপশনের প্রসঙ্গ টেনে ডোনাকে মজার ছলেই প্রশ্ন করেন, ‘শুধু আকাশ আর মেঘমালার প্রেমে পড়েছেন? দাদার না?’
আরও পড়ুন: ‘কেশরি চ্যাপ্টার ২’-এর পোস্টারে বড় চমক! অক্ষয়ের সঙ্গে এবার মাধবন, আইনজীবীর ভূমিকায়ℱ নজরকাড়া অনন্যা
প্রসঙ্গত, সৌরভ ও ডোনার বিয়ে করার গল্প বেশ নাটকীয়। দু'বার বিয়ে করেন দু'জনে। একবার বাড়ির সকলকে লুকিয়ে🌌। আরেকবার ধুমধাম করে। ১৯৯৬ সালে গোপনে রেজিস্ট্রি করে ম্যাচ খেলতে চলে যান সৌরভ। যদিও সবটাই জানাজানি হয়ে যায়। প্রথমে দুই পরিবারের অমত ছিল সম্পর্কে। তবে শেষমেশ ১৯৯৭ সালের ফেব🍃্রুয়ারিতে তাঁদের পরিবার বেশ ধুমধাম করে ফের দু'জনের বিয়ে দেন।
একে-অপরকে চিনতেন সেই ছোট থেকে। এই প্রসঙ্গে ডোনা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন তিনি জানান, 💃‘একদম পাশের বাড়ি তো। তখন থেকেই আলাদ। দেখতাম ছোট সুন্দর একটা বাচ্চা একটা ছেলে ক্রিকেট খেলছে। আমি বারান্দায় এসে ওকে দেখতাম। ছোটবেলা থেকে ভালোলাগা ছিল। একটু একটু কথা হত। ওই পর্যন্তই। ওই যখন থেকে হয় না, এবার একটা বয়ফ্রেন্ড থাকলে হয়। তখন থেকে হয়তো প্রেমটা শুরু হয়েছিল। কোনও বন্ধু হয়তো বলেছিল, ভালোলাগে যখন গিয়ে বল…।’