শিশু মৃত্যুতে গাফিলতির অভিযোগে সৌদি আরবের আদালত ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা শাহজাদি খানকে। বর্তমানে তিনি আবুধাবি জেলে বন্দি রয়েছেন। যেকোনও সময় তাঁর মৃত্যুদণ্ড হতে পারে। এই অবস্থায় তাঁর বর্তমান আইনি অবস্থা এবং সুস্থতা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য কেন্দ্রকে নির্দেশ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন শাহজাদির বাবা সাব্বির খান। শনিবার দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। বিদেশ মন্ত্রককে যাতে এবিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয় হাইকোর্টে সেই আবেদন জানিয়েছেন তিনি। (আরও পড়ুন: 'জয় বাংলা' বাতিল করা নাহিদদের💟 দলের স্লোগান '꧃ধার' করা হল ভারত থেকেই!)
আরও পড়ুন: বিচার হবে কার? অভিযুক্তই তো 🦩মারা গিয়েছেন আড়াই মাস আগে! উকিলের কথ﷽ায় স্তম্ভিত আদালত!
সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বছর ৩৩-এর শাহজাদি উত্তর প্রদেশের বান্দা জেলার বাসিন্দা। তাঁর যত্নে থাকা এক শিশুর মৃত্যুর জন্য সৌদি আরবের আদালতে তিনি মৃত্যুদণ্ডের মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁকে আবুধাবি জেলে বর্তমানে রাখা হয়েছে।আইনজীবী আলি মহম্মদ মাজের মাধ্যমে সাব্বির এই আবেদন জানিয়েছেন। এর আগে গত বছর সাব্বির রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে মেয়ের জীবন বাঁচানোর জন্য হস্তক্ষেপ করার অনুরোধ করেছিলেন। (আরও পড়ুন: ট্রাম্পকাণ্ডের পর জেলেনস্কিকে বুকে জড়ালেন UK-র প্রಞধানন্ত্রী, দিলেন £২.২৬ বিলিয়ন)
আরও পড়ুন: 'মুসলিম হয়েও কৃষ্ণকে…', স൲ুফি ঐতিহ্যের প্রশংসায় মোদী, জানালেন রমজানের শুভেচ্ছা
জানা গিয়েছে, ছোট বেলায় শাহজাদির মুখ পুড়ে গিয়েছিল। কোভিডে লকডাউনের সময় তিনি একটি বান্দায় একটি ব্যাঙ্কে কাজ করতেন। সেই সময় ফেসবুকে উজাইর নামে আগ্রার এক বাসিন্দার তাঁর বন্ধুত্ব হয়। এরপর ২০২১ সালের নভেম্বরে উজাইর তাঁকে চিকিৎসার অজুহাতে এক দম্পতির কাছে বিক্রি করে দেন। পরবর্তীতে দম্পতি তাঁকে আবুধাবিতে নিয়ে যান। সেই ঘটনায় বান্দার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আদালতের নির্দেশের ভিত্তিতে পুলিশ দুবাইয়ে বসবাসকারী দম্পতি এবং উজাইরের বিরুদ্ধে মানব পাচারের মামলা দায়ের করে। (আরও পড়ুন: ✨পাচ💮াকারীকে গুলি করে অপারেশন করায় BSF, 'ভুল' মেনে নেওয়া বাংলাদেশকে ফেরানো হল দেহ)
আরও পড়ুন: মুখে এ♛ক, কাজে আরেক বিজিবির! পদে প♒দে বিঁধছে 'কাঁটা', লাফিয়ে উঠছে বাংলাদেশ
এদিকে, দুবাইয়ে দম্পতির শিশুর দেখভালের কাজে লাগানো হয় শা꧒হজাদিকে। তবে শিশু ৪ মাস ২১ দিন বয়সে মারা যায়।২০২২ সালের ডিসেম্বরে শিশুর মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় শাহজাদির বিরুদ্ধে এই শিশু হত্যার অভিযোগ তোলেন দম্পতি। আবেদনে বলা হয়েছে, হাসপাতাল ময়নাতদন্তের সুপারিশ করলেও শিশুর বাবা-মা তা প্রত্যাখ্যান করেন। পরে আদালত তাঁর মৃত্যুদণ্ড দেয়। সাব্বির আবেদনে জানিয়েছেন, বর্তমানে তাঁর মেয়ে আবুধাবির আল বাতওয়া জেলে বন্দি। কিছুদিন আগেই মেয়ে ফোনে তাঁকে জান🌟িয়েছেন যেকোনও সময় তাঁকে ফাঁসি দেওয়া হতে পারে।