ইলন মাস্কের সংস্থা স্পেসএক্সের প্রথম মেরু কক্ষপথ মিশন, ফ্রেম ২-র সফল উৎক্ষেপণ হয়েছে। ইতিহাসে এই প্রথমবার মানুষকে কক্ষপথে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে সোমবার রাত ৯ টা ৪৬ মিনিটে ( ভারতীয় সময় সকাল ৭ টা ১৬ মিনিটে) ফ্রেম ২ উৎক্ষেপণ করেছে। এই মিশনে চারজন নভোচারীকে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। (আরও পড়ুন: ধর্ষণের মামলায় পঞ্জাবের 'ইয়েশু' যাজক꧂ বাজিন্দর সিংয়ের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড)
আরও পড়ুন-Andrew Tate: সহবাসের স𝐆ময় খুনের চেষ্টা! ൲নারীবিদ্বেষী ধনকুবের কীর্তি ফাঁস প্রাক্তন বান্ধবীর
ড্রগন মহাকাশ যান উত্তর এবং দক্ষিণ মেরুর মধ্য দিয়ে ৯০ডিগ্রি হেলে কক্ষপথে প্রবেশ করবে। এই মিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হল ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে নভোশ্চরদের পাঠাতে। মাইক্রোগ্রাভিটি পরিস্থিতিতে বিশেষ প্রজাতির মাশরুম চাষ করা। ফ্রেম২ মিশনের ক্রু সদস্যরা হলেন মিশন কমান্ডার চুন ওয়াং, কমান্ডার জান্নিকি মিক্কেলসেন, পাইলট রাবিয়া রোগ এবং মিশন বিশেষজ্ঞ এবং চিকিৎসা কর্মকর্তা এরিক ফিলিপস।উৎক্ষেপণটি স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটে করা হয়। গত ৩০ মার্চ রকেটটির স্ট্যাটিক ফায়ার পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মেরু কক্ষপথে মানুষকে বহনকারী প্রথম মিশনের নামকরণ করা হয়েছিল ফ্রেম ২ ৷ নরওয়েজিয়ান জাহাজের সম্মানে যা প্রথমবারের মতো পৃথিবীর আর্কটিক এবং অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলে পৌঁছতে অভিযাত্রীদের সাহায্য করেছিল। অভিযানটি তিন থেকে পাঁচ দিন স্থায়ী হতে পারে। (আরও পড়ুন: 'পার্বত্য চট্টগ্রাম তো ভারতের অংশ🔥 হতে চায়', উঠল বাংলাদেশ ভাগেဣর ডাক)
এক বিবৃতিতে স্পেসএক্স জানিয়েছে, তাদের বহু দিনের মিশনের সময় ড্রাগন এবং ক্রুরা একটি মেরু কক্ষপথ থেকে পৃথিবী অন্বেষণ করবে এবং প্রথমবারের মতো পৃথিবীর মেরু অঞ্চলের উপর দিয়ে উড়ে যাবে। তারা দীর্ঘমেয়াদী মহাকাশ অনুসন্ধান এবং মহাকাশে মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কে বোঝার জন্য মানবজাতির ক্ষমতাকে উন্নত করতে সহায়তা করার জন্য ডিজাইন করা ২২টি গবেষণা পরিচালনা করবে। (আরও পড়ুন: উত্তরপূর্ব ভারত নিয়ে চিনকে 'অর্থনৈতিক উপদেশ' দেওয়♎া🍸 ইউনুস 'ভিক্ষা বাটি' হাতে তৈরি)
আরও পড়ুন: 'জাপান ৭০০%, ভারত ১০০%...', শুল্ক ঘিরে জল্পনার মাঝে ♈মুখ খুলল হো𒁃য়াইট হাউজ
ফ্রেম ২ মিশনের উদ্দেশ্য
ফ্রেম ২ মিশন দীর্ঘমেয়াদি মহাকাশ অনুসন্ধান এবং মহাকাশে মানুষের স্বাস্থ্য কেমন হবে তার উপর আলোকপাত করবে। এর জন্য, তারা মিশনের অংশ হিসেবে ২২টি গবেষণা পরিচালনা করবে। মিশনের সময় ক্রুদের লক্ষ্য মহাকাশে প্রথম এক্স-রে তোলা। এই মিশনের লক্ষ্য হল মাইক্রোগ্রাভিটিতে পেশী এবং হাড়ের ওজন বজায় রাখতে কোন ধরণের ব্যায়াম সা♋হায্য করে তা পরীক্ষা করা । তাছাড়া, মাইক্রোগ্রাভিটিতে মাশরুম চাষের পরিকল্পনাও রয়েছে।পৃথিবীতে ফিরে আসার পর, বেশি চিকিৎসা সহায়তা ছাড়াই মহাকাশযান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করবে। এর মাধ্যমে বোঝাꦿ যাবে যে মহাকাশ থেকে পৃথিবীতে পৌঁছানোর সময় শরীর পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি কীভাবে প্রতিক্রিয়া দেখায়।