২০১৮ সালের জিরাকপুর ধর্ষণ মামলায় পাঞ্জাবের স্বঘোষিত ধর্মযাজক বজিন্দর সিংকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল মোহালির একটি আদালত। যাজক বাজিন্দরকে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৭৬ (ধর্ষণ), ৩২৩ (স্বেচ্ছায় আঘাত করার শাস্তি) এবং ৫০৬ (অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল। এই মামলায় অন্য পাঁচ অভিযুক্ত ধর্মযাজক যতীন্দর, ধর্মযাজক আকবর, সাত্তার আলি এবং সন্দীপ পহলওয়ানকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে। (আরও পড়ুন: ꦏ'পার্বত্য চট্টগ্রাম তো ভারতের অংশ হতে চায়', উঠল বাংলাদেশ ভাগের ডাক)
আরও পড়ুন: 𝓰'জাপান ৭০০%, ভারত ১০০%...', শুল্ক ঘিরে জল্পনার মাঝে মুখ খুলল হোয়াইট হাউজ
রায়ের প্রতিক্রিয়ায় মামলাকারী নির্যাতিতা বলেন, 'সে (বাজিন্দর) একজন সাইকো। জেল থেকে বের হওয়ার পরও একই অপরাধ করবে। তাই আমি চাই সে কারাগারেই থাকুক। অনেক মেয়ে (ভুক্তভোগী) আজ জিতেছে। আমি ডিজিপিকে অনুরোধ করছি যে আমাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন, কারণ আমাদের উপর হামলার সম্ভাবনা রয়েছে।' এদিকে নির্যাতিতার আইনজীবী অনিল সাগর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দেন। তিনি বলেন, 'মামলার পরিস্থিতি অনুযায়ী ধর্ষণের অপরাধের জন্য ১০-২০ বছরের শাস্তির বিধান রয়েছে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মাত্রার জন্য প্রার্থনা করছি কারণ এই ব্যক্তি ধর্মের নামে মানুষকে প্রলুব্ধ করত। তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া জরুরি। আমি আশা করব, এর পর যে মেয়েরা এ ধরনের অপরাধের শিকার হচ্ছে, তারা বেরিয়ে আসবে এবং নৃশংসতার কথা বলবে।' (আরও পড়ুন: 💦উত্তরপূর্ব ভারত নিয়ে উস্কানি দিতে 'চিনকে ডাকলেন' ইউনুস, পালটা তোপ মুখ্যমন্ত্রীর)
আরও পড়ুন: 🏅সন্তান কার? সামনে চলে এল '১৪ বাচ্চার বাবা' ইলন মাস্কের 'কেচ্ছা'
বাজিন্দরের বিরুদ্ধে মামলাটা ঠিক কী?
২০১৮ সালে জিরাকপুরের এক মহিলা অভিযোগ করেন, বিদেশ যেতে সাহায্য করার নাম করে তাঁকে যৌন হেনস্থা করেছেন বাজিন্দর। মহিলার দাবি, তিনি তাঁর একটি অশ্লীল ভিডিয়ো রেকর্ড করেছেন এবং তাঁর দাবি না মানলে ভিডিয়োটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। এই মামলায় জামিনে মুক্ত ছিলেন বাজিন্দর। (আরও পড়ুন: ♈খলিস্তানি পান্নুনের হাত থেকে ডোভালকে 'বাঁচায়' মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্টরা!)
আরও পড়ুন: ♛'ওপারে প্রভু চিন্ময়,এপারে প্রভু হিরন্ময়', দাসপুরে সন্ন্যাসীর ওপর হামলার অভিযোগ
♈অভিযোগকারী এর আগে জানিয়েছিলেন যে তাঁকে তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহারের জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে। স্বঘোষিত গডম্যানের সমর্থকরা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখিয়ে দাবি করে যে নির্যাতিতা একটি মিথ্যা বিবৃতি দিয়েছে এবং বজিন্দর নির্দোষ। পঞ্জাব পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়েছেন, ফেব্রুয়ারি মাসে আরও এক মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে পঞ্জাব পুলিশ যাজক বজিন্দর সিংয়ের বিরুদ্ধে আরও একটি এফআইআর দায়ের করে। সেই ঘটনাটি একটি প্রার্থনা অধিবেশনের পরে ঘটেছিল বলে জানা গিয়েছে, অভিযোগকারী দাবি করেছিলেন যে অন্যদের সাথে তাঁর সঙ্গেও দুর্ব্যবহার করেছিল বজিন্দর। তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছিল।