ঋষভ পন্ত লখনউ সুপার জায়ান্টসে যোগ দেওয়ায়, ২০২৫ আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালস নতুন অধিনায়ক হিসেবে অক্ষর প্যাটেলকে বেছে নিয়েছে। নতুন অধিনায়কের হাত ধরে নতুন উদ্যোমে দিল্লি ক্যাপিটালস অধরা আইপিএল ট্রফি জিততে বদ্ধপরিকর। ২০০৮ থেকে আইপিএলে খেললেও, দিল্লি এখনও একবারও ট্রফি জিততে পারেনি। তারা শুধুমাত্র একবার ফাইনালে উঠেছে। ২০২০ আইপিএলের ফাইনালে উঠলেও, তারা সেবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেটে হেরেছিল।
ক্যাপ্টেন অক্ষর কি পারবে দিল্লির ভাগ্য বদলাতে?
এই মরসুমে দিল্লি ক্যাপিটালসের 🌳স্ট্যান্ডআউট খেলোয়াড়দের এ☂কজন হলেন গতিশীল উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান কেএল রাহুল, যাঁকে ১৪ কোটি টাকায় কিনেছে লখনউ। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়ান ফাস্ট বোলার মিচেল স্টার্ককে অন্তর্ভুক্ত করায় দলের ফাস্ট বোলিং আক্রমণও শক্তিশালী হয়েছে। ফাস্ট বোলিং বিভাগে স্টার্ককে সমর্থন করবেন টি নটরাজন, মুকেশ কুমার এবং মোহিত শর্মা।
ব্যাটিং ব❀িভাগে, দিল্লি ক্যাপিটালস💮ের অভিজ্ঞ ফ্যাফ ডু'প্লেসি, কেএল রাহুল, ত্রিস্তান স্টাবস, জ্যাক ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক, করুণ নায়ার এবং আশুতোষ শর্মার মতো আক্রমণাত্মক খেলোয়াড় রয়েছেন, যাঁরা গত বছর পঞ্জাব কিংসের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিলেন।
আরও পড়ুন: রাম নবমীর জের𒁃ে কলকাতা থেকে সরল KKR vs LSG ম্যাচ, নাইটরা খেলবে অন্য ভেন্যুಌতে- রিপোর্ট
স্পিন বিভাগের নেতৃত্বে থাকবেন অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেল এবং চায়নাম্যান বোলার কুলদীপ যাদব, যাঁরা কেএল রাহুলের সঙ্গে ২০২৫ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের 🎐বিজয় অভিযানের অংশীদার ছিলেন।
দিল্লি ক্যাপিটালস তাদের সাপোর্ট স্টাফের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন করে✃ছে। ক্রিকেট ডিরেক্টর হিসেবে ভেনুগোপাল রাও, প্রধান কোচ হিসেবে হেমাঙ্গ বাদানি, পরামর্শদাতা হিসেবে কেভিন পিটারসেন, সহকারী কো♓চ হিসেবে ম্যাথিউ মট, বোলিং কোচ হিসেবে মুনাফ প্যাটেল, ফিল্ডিং কোচ হিসেবে অ্যান্টন রক্স এবং স্কাউটিং প্রধান হিসেবে বিজয় ভরদ্বাজ যোগ দিয়েছে।
দিল্লির শক্তি-
শক্তিশালী ব্যাটিং অর্ডার: কাগজে🎐 কলমে দিল্লি ক্যাপিটালসের নিঃসন্দেহে বিস্ফোরক ব্যাটিং লাইনআপ রয়েছে। ফ্যাফ ডু'প্লেসি, ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক, কেএল রাহুলꦺ, অভিষেক পোড়েল এবং ত্রিস্তান স্টাবস দিল্লির টপ অর্ডারকে শক্তিশালী করেছে, যাঁদের প্রথম বল থেকেই আক্রমণাত্মক শুরু করার ক্ষমতা রয়েছে। করুণ নায়ার, সমীর রিজভি, আশুতোষ শর্মা এবং অধিনায়ক অক্ষর প্যাটেলের সমন্বয়ে গঠিত মিডল অর্ডার যে কোনও সময়ে খেলার মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে।
আরও পড়ুন: রিপোর্ট- মহসিনের সর্বনাশে পৌষমাস হল শার্🔯দুলের, যোগ দিলেন LSG-তে, ময়াঙ্কের চোট নিয়েও সংশয়
নজরকাড়া পেসার বোলিং ইউনিট: দিল্লির ফাস্ট বোলিং বিভাগও খুবই শক💙্তিশালী। বিশ্বের শীর্ষ বাঁ-🍸হাতি ফাস্ট বোলারদের একজন মিচেল স্টার্ক দিল্লির পেস আক্রমণকে নেতৃত্ব দেবেন। সেই সঙ্গে ডেথ ওভার বিশেষজ্ঞ টি নটরাজন, দুষ্মন্ত চামেরা রয়েছেন। এছাড়াও মোহিত শর্মা এবং মুকেশ কুমারও ফাস্ট বোলিং বিভাগকে শক্তিশালী করেছেন।
দিল্লির দুর্বলতা-
স্পিন বিকল্পের অভাব: দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রাথমিক দুর্বলতা হল, তাদের স্পিন বিকল্প। অক্ষর প্যাটেল এবং কুলদীপ যাদব অভিজ্ঞ দুই স্পিনার নিঃসন্দেহে দিল্লির বড় ভরসা। কিন্তু এই বিভাগে গভীরতার অভাব রয়েছে। এই দুই স্পিনার ছাড়া এই বিভাগে সে ভাবে ভরসা দেওয়ার কেউ𝔍 নেই। দিল্লি আনক্যাপড ভারতীয় স্পিনার অজয় মন্ডলকে চুক্তিবদ্ধ করেছে, যিনি স্পিন আক্রমণে কিছু অক্সিজেন দিতে পারে।
অভিজ্ঞ ভারতীয় ব্যাটারের অভাব: কেএল রাহুল ছাড়া এবার দিল্লি টিমেဣ কোনও প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় ব্যাটসম্যান নেই। করুণ নায়ার গত কয়েক বছর ধরে আইপিএল নিয়মিত খেলেননি। দলের অন্যান্য ব্যাটসম্যানরাও তেমন অভিজ্ঞ নন। ভারতীয় ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অভিজ্ঞতার অভাব ডিসির জন্য ব্যয়বহ𒅌ুল প্রমাণিত হতে পারে।
আরও পড়ুন: পরিসংখ্যান𒆙ই কথা 🌼বলে... টিম ইন্ডিয়া থেকে বাদ পড়া নিয়ে রোহিতের মুখের উপর জবাব সিরাজের
দিল্লির অনুকূল পরিস্থিতি-
অক্ষরের চ্যালেঞ্জ: ২০২৫-এর আইপিএল অক্ষর প্যাটেলের জনꩵ্য জাতীয় নির্বাচকদের দেখানোর একটি বড় সুযোগ, তিনি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটেও দল♚কে নেতৃত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে তিনি ছিলেন সূর্যকুমার যাদবের ডেপুটি। অক্ষরকে ভবিষ্যতে নেতৃত্বের ভূমিকার জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে, যদি দিল্লি ক্যাপিটালস তাঁর নেতৃত্বে ভালো ফল করে।
নটরাজন, মুকেশ কুমারদের তাগিদ: আসন্ন মরশুমে টি নটরাজন এবং মুকেশ কুমারের সামনে নিজেদের🅰 প্রমাণ করার তাগিদ থাকবে। এবার আইপিএলে ভালো করে তারা জাতীয় দলে নিজেদের জায়গা পুনরুদ্ধার করার চেষ্টা করবে। তাঁরা ভালো খেললে দিল্লির লাভ হবে।
দিল্লির ভয়ের জায়গা
আইপিএল দিল্♌লির ট্রফির খরা কাটানোর প্রত্যাশা, নিঃসন্দেহে বড় চাপের কারণ। ১৭ বছরে শুধুমাত্র একবারই আইপিএল ফাইনাল খেলেছে তারা। যাইহোক এই প্রত্যাশার চাপ কাটিয়ে ওঠাটা দিল্লির জন্য সবচেয়ে কঠিন চ্যালেঞ্জ হবে।