জল্পনার পারদ চড়েছিল বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকির কথায়। জল্পনা ছিল, পাল꧙্টাতে পারে বাংলাদেশের নববর্ষের অনুষ্ঠান ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’র নাম। রবিবার মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করেছিল, এই শোভাযাত্রার নতুন নাম কী হবে, তা ঠিক হবে সোমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈঠক অনুষ্ঠিত বৈঠকে। সোমবার হতেই বাংলাদেশের এই ঐতিহ্যবাহী অনুষ্ঠানের নাম পাল্টায় কি না, সেদিকে নজর ছিল অনেকের। তবে বৈঠক শেষে জানা যায়, এই মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম বদল নিয়ে বৈঠকে কথা হয়নি। তবে শোভাযাত্রা পেয়েছে নয়া স্লোগান।
এর আগে, রবিবার বাংলাদেশের সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রকের উপদেষ্টা ফারুকি বলেন,'এবারের শোভাযাত্রাটি আর বাঙালির শোভাযাত্রা না। এই শোভাযাত্রা বাঙালি, চাকমা, মারমা, গারো, প্রত্যেকের। প্রত্যেকেই তাদের নিজস্বতা নিয়ে সেখানে অংশগ্রহণ করবেন।' একইসঙ্গে 🎉তিনি বলেন,' তাই আমাদের দেখতে হবে আমরা এমন একটা নাম না দেই যেটা শুধু আমাদেরই হয়, ওরা আর অন্তর্ভুক্ত হতে না পারে। ওরা যেন ব্র্যাকেটে না পড়ে যায়।' এরপরই বাংলাদেশের বহু সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে এই উৎসবের নাম পরিবর্তনের জল্পনা শুরু হয়। বহু চর্চা চলে🌃। এরপরই সোমবার ১১টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠান নিয়ে শুরু হয় বৈঠক। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ইউনুস সরকারের উপদেষ্টা ফারুকিও। জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী এই অনুষ্ঠানের নামের পরিবর্তন না হলেও, অনুষ্ঠানপর্ব পাচ্ছে নয়া স্লোগান। আর সেই স্লোগান হল,' নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান'। বাংলাদেশের বহু মিডিয়া রিপোর্ট দাবি করছে, চলতি বছর বাংলাদেশে পালিত হতে চলা পহেলা বৈশাখে চাকমা, মারমা, সাঁওতাল ও গারোসহ বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণে অন্তর্ভুক্তিমূলক মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে, ইউনুস সরকারের উপদেষ্টা বাংলাদেশের এই মঙ্গল শোভাযাত্রা সম্পর্কে বলেন,' এবার চারুকলা থেকে যে শোভাযাত্রা বের হবে সেখানে আপনারা সত্যিকার অর্থেই নতুন জিনিস🦹 দেখবে♔ন। আপনাদের চোখেই পরিবর্তন দেখতে পাবেন অনেক। সেটা এখন আমরা বিস্তারিত বলছি না। সারপ্রাইজ হিসেবেই থাকলো। ইটস এ টিজার।' এরপরই জল্পনা শুরু হয়। তবে শেষমেশ জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের মঙ্গলশোভাযাত্রার নাম বদল হয়নি। বদলায়নি শোভাযাত্রার সময়সূচিও।