একলাফে ২৪ হাজার টাকা বেতন বাড়ল সাংসদদের। সেই সঙ্গে বাড়ল পেনশন ও দৈনিক ভাতাও। সোমবার এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাত বছর পর সাংসদদের বাড়ানো হল বেতন। অতিরিক্ত পেনশনও পরিবর্তন করা হয়েছে। বর্তমানে মুদ্রাস্ফীতিতে ধুঁকছে দেশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির🌠 জেরে জর্জরিত আমজনতা। এই আবহে মূল্য়বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য় রেখে সাংসদদের বেতন বৃদ্ধি করা হবে বলে ২০১৮ সালে সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কেন্দ্র। এবার সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বেতন বৃদ্ধি করা হল।
আরও পড়ুন-Sensex:১০০০ পয়েন্টের লম্বা লাফ! ৪ মাস পর দুরন্ত গতিতে🐲 শেয়ার বাজার
সোমবার বেতন বৃদ্ধির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও এই বর্ধিত বেতন কার্যকর হবে ২০২৩ সালের ১ এপ্রিল থেকে। অর্থাৎ ওই সময় থেকে যা বর্ধিত বেতন পাওয়ার কথা, তা এরিয়ার হিসেবে দিয়ে দেওয়া হবে সাংসদদের। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, 'ইনকাম ট্যাক্স আইন, ১৯৬১ (১৯৬১-এর ৪৩ নং আইন)-এর ধারা ৪৮-এর ব্যা༺খ্যার (V) উপধারার অধীনে মূল্যস্ফীতির সূচকের ভিত্তিতে কেন্♋দ্রীয় সরকার সাংসদ এবং প্রাক্তন সাংসদদের বেতন, দৈনিক ভাতা, পেনশন এবং অতিরিক্ত পেনশন বৃদ্ধির নির্দেশ জারি করেছে।' এই ঘোষণা সাংসদদের আর্থিক স্থিতিশীলতা বাড়াতে এবং জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে সহায়তা করবে।
বেতন বেড়ে কত হল?
বর্তমানে সাংসদদে🐷র মাসিক বেতন ১,০০,০০০ টাকা।ᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚᩚ𒀱ᩚᩚᩚ সেটা বাড়িয়ে ১,২৪,০০০ করা হয়েছে।
বর্তমানে𒁏 সাংসদদের দৈনিক ꧟ভাতা ২,০০০ টাকা করে। সেটা বাড়িয়ে করা হল ২,৫০০ টাকা।
প্রাক্তন সাংসদদꦿের মাসিক পেনশন ২৫,০০০ টাকা। স꧂েটা এবার বাড়িয়ে ৩১,০০০ টাকা করা হয়েছে।
প্রাক্তন সাংসদদের অত♑িরিক্ত পেনশনও (♔পাঁচ বছরের বেশি সাংসদ থাকলে যে টাকা দেওয়া হয়) বাড়ানো হয়েছে। প্রতি বছর অতিরিক্ত পেনশন ২,০০০ থেকে বাড়িয়ে ২,৫০০ করা হল।
বর্তমানে সংসদে বাজেট অধিবেশন চলছে। তারমধ্যেই এই ঘোষণায় স্বাভাবিকভাবে খুশি সাংসদরা। এর আগে সাংসদ ও প্রাক্তন সাংসদদের বেতন ও ভাতা ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৮ সালের এপ্রিল মাসে। সেবার সাংসদদের বেতন নির্ধারণ করা হয় মাসে ১ লক্ষ টাকা। দৈনন্দি🐭ন খরচ-খরচা বৃদ্ধি ও মুদ্রাস্ফীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রাখতে এই বৃদ্ধির কথা বলা হয়। ২০১৮ সালের সংশোধনী অনুসারে, সাংসদরা তাঁদের নিজ নিজ জেলার অফিস আপডেট রাখা এবং ভোটারদের সঙ্গে যোগাযোগের খরচ মেটাতে নির্বাচনী ভাতা হিসেবে ৭০,০০০ টাকা ভাতা পান। এছাড়া, তাঁরা প্রতি মাসে অফিস ভাতা হিসেবে ৬০,০০০ টাকা এবং সংসদীয় অধিবেশন চলাকালীন দৈনিক ভাতা হিসেবে ২০০০ টাকা পান। এই ভাতাগুলিও এখন বাড়ানো হবে।
পাশাপাশি, সাংসদরা ফোন এবং ইন্টারনেট ব্যবহারের জন্য বার্ষিক ভাতাও পান। তাঁরা নিজেদের এবং তাঁদের পরিবারের জন্য বছরে ৩৪টি বিনামূল্যে ডমেস্টিক ফ্লাইটে ভ্রমণ এবং পেশাদার এবং ব্যক্তিগত ব্꧑যবহারের জন্য যে কোন সময় প্রথম শ্রেণির ট্রেন ভ্রমণ উপভোগ করেন। রাস্তা ব্যবহার করার সময় তাঁরা মাইলেজ ভাতাও দাবি করতে পারেন। সাংসদরা বার্ষিক ৫০,০০০ ইউনিট বিনামূল্যে বিদ্যুৎ এবং ৪,০০০ কিলোলিটার জলের সুবিধাও ভোগ করেন।কেন্দ্রীয় সরকার তাঁদের আবাসন এবং থাকার ব্যবস্থাও করে। পাঁচ বছরের মেয়াদে, সাংসদদের নয়া দিল্লিতে ভাড়া-ছাড়া আবাসন দেওয়া হয়। তাঁরা তাঁদের সিনিয়রিটির ভিত্তিতে হস্টেল রুম, অ্যাপার্টমেন্ট💧 বা বাংলো পেতে পারেন। যাঁরা সরকারি আবাসন ব্যবহার না করার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা মাসিক আবাসন ভাতা পাওয়ার যোগ্য।
আরও পড়ুন-Sens𓆉ex:১০০০ পয়েন্টের লম্বা লাফ! ৪ মাস পর দুরন্👍ত গতিতে শেয়ার বাজার
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এক ধাক্কায় এই বড় অঙ্কে সাংসদদের বেতন বৃদ্ধি নতুন কিছু নয়। আগের সরকারের আমলেও নিয়ম করে বেতন বাড়ানো হত জনপ্রতিনিধিদের। এই একই তৎপরতা সরকার যদি আমজনতাকে স্বস্তি দিতে দেখাত, তাহলে হয়তো বহু সমস্যার আরও 🎐চটজলদি সমাধান মিলত। তাৎপর্যপূর্ণভাবে কোনও বিরোধী দলও সরকারের এই সিদ্ধান্তের কোনও প্রতিবাদ করেনি।