🧜 ভাঙড়ের পর এবার মথুরাপুর। আবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটল বাংলায়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মথুরাপুরে এক গৃহবধূকে লাগাতার ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ। ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করে খুনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ। আর এই অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী যুবকের বিরুদ্ধে। এই যৌন নির্যাতনের পর শারীরিক অবস্থা অত্যন্ত খারাপ হয়ে যাওয়ায় ওই নির্যাতিতা গৃহবধূকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর। এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই তুমুল আলোড়ন পড়ে গিয়েছে।
👍যদিও পুলিশ তৎপরতার সঙ্গে অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবককে গ্রেফতার করেছে। এই ঘটনা নিয়ে এখন তুমুল চর্চা শুরু হয়েছে। আর অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার হয়েছেন নির্যাতিতা গৃহবধূর পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশকে গোটা ঘটনার কথা বলে শাস্তির দাবি করেছেন নির্যাতিতার স্বামী। তাঁর স্ত্রীর উপর কেমন নির্মম অত্যাচার হয়েছে তা বলতে গিয়ে কেঁদেই ফেলেন তিনি। তারপর লিখিত অভিযোগ জমা পড়তেই তদন্ত তৎপরতার সঙ্গে করে পুলিশ। আর অভিযুক্ত প্রতিবেশী যুবককে গ্রেফতার করা হয়। ওই যুবক পালিয়ে যাবার ছক কষছিল। তখনই ধরা হয়।
আরও পড়ুন: বারাসত শহরের প্রাণকেন্দ্রে বড়মা মন্দিরে দুঃসাহসিক চুরি, সিসিটিভি ফুটেজে ফাঁস সব
পুলিশ সূত্রে খবর, নির্যাতিতা বধূর বয়স ৩৫। মথুরাপুরের পাঠুলিঘাটার বাসিন্দা। বধূর স্বামী পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তাঁর স্ত্রীকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। তারপর ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে ওই যুবক। নির্যাতনের পর ওই বধূকে খুনের চেষ্টা করা হয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে। কোপানো হয় বধূকে। মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করার চেষ্টা করা হয়। তবে কোনওরকমে প্রাণে বেঁচে যান নির্যাতিতা বধূ।𓂃 তখন ওই গৃহবধূকে উদ্ধার করে ডায়মন্ডহারবার মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত জারি আছে।
তবে হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওই বধূর মাথা এবং পায়ে গুরুতর আঘাত লেগেছে। তাঁর অবস্থা আগের থেকে স্থিতিশীল। যদিও ধর্ষণের ওই ঘটনায় এখনও ট্রমার মধ্যে রয়েছে নির্যাতিতা বধূ। আঘাত গুরুতর। আর অভিযুক্ত যুবককে আজ শুক্রবার আদালতে পেশ করা হয়েছে। এই ধর্ষণের ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। 🎃তদন্তকারীদের অনুমান, নির্যাতিতা বধূর সঙ্গে অভিযুক্ত যুবকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। নির্যাতিতার স্বামীর অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ। ওই যুবককে হেফাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় পুলিশ।