গতকাল (বৃহস্পতিবার - ২০ মার্চ, ২০২৫) থেকেই অক্সিজেন সাপোর্টে রয়েছেন তাঁর মক্কেল। বর্তমানে তিনি গুরুতর অ🌜সুস্থ। তাই অবিলম্বে তাঁকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হোক। শুক্রবার (২১ মার্চ, ২০২৫) এই আবেদন করলেন প༺ার্থর আইনজীবী।
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সিবিআই যে মামলা রুজু করেছে, সেই মামলাতেই তাঁর জামিনের আবেদন করা হল। এক✱ইসঙ্গে, এই মামলায় সিবিআই পার্থর বিরুদ্ধে মূল যে অভিযোগগুলি করেছে, তাও যুক্তিসহ খারিজ করার চেষ্টা করেছেন তাঁর আইনজীবী। যার জেরে মামলার পরবর্তীতে শুনানিতে সিবিআই-কে এই মামলার কেস ডায়ারি আনার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রসঙ্গত, এদিন কলকাতার বিচার 🥃ভবনে পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের জামিনের মামলার শুনানি ছিল। সেই শুনানিতে পার্থকে জামিন দেওয়ার কারণ হিসাবে মূলত তাঁর বর্তমান শারীরিক পরিস্থিতিই তুলে ধরেছেন তাঁর আইজীবী। পাশাপাশি, সিবিআই-এর একাধিক অভিযোগ প্রসঙ্গে পালটা একের ♈পর এক যুক্তি আদালতে পেশ করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় প্রথম পার্থ চট্টোপাধ্য়🐷ায়কে গ্রেফতার করেছিল ইডি। পরবর্তীতে, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর পার্থকে প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় 'শোন অ্য়ারেস্ট' (একবার গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিকে পুনরায় গ্রেফতার করা) করে সিবিআই।
আদালত সূত্র♋ে জানা গিয়েছে, শোন অ্যারেস্টের পর গত বছরেরই ১৫ অক্টোবর পার্থকে জেলে গিয়ে জেরা করে সিবিআই। কিন্তু, তারপর সব চুপচাপ। পার্থ হাজতে থাকলেও তাঁকে গ্রেফতার করা সিবিআই গোয়েন্দারা আর তাঁকে জেরার করার বিষয়ে কোনও উদ্যোগ নেননি।
যদিও সিবিআই-এর অভিযোগ, অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের যে নামের তালিকা পার্থর কাছে আসত, সেই তালিকার উপর পার্থ নিজে𒈔র হাতে কিছু নির্দেশ লিখে দিতেন। পরে এক মহিলা অন্য এ🐬কটি কাগজে সেই লেখা নকল করতেন।
সিবিআই-এর দাবি, এই প্রক্রিয়ায় পার্থর 🤡হাতের লেখা উদ্ধার করা না গেলেও ওই অনুলিখন তারা পেয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট মহিলাকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।
যদিও কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার এই যুক্তি উড়িয়ে দিয়েছেন পার্থর আইনজীবী। যেখানে গোয়েন্দারা তাঁর মক্কেলের হাতের লেখা কোথাও উদ্ধার করতেই প🐬ারেননি, সেখানে সংশ্লিষ্ট অভিযোগের আর কোনও ভিত্তি থাকে না বলে দাবি করেছেন তিনি।
সিবিআই-এ আরও একটি গুরুতর অভিযোগ হল, নির্দিষ্ট একটি প্রার্থীতালিকায় ১৫ জন অযোগ্য চাকরিপ্রার্থীর নাম ঢুকিয়ে দিতে বলেছিলেন পার্থ। কিন্তু, তাঁর আইন♒জীবী পালটা বলেন, এই দাবির স্বপক্ষেও কোনও নথি দেখাতে পারেনি সিবিআই। তারা কেবলমাত্র পার্থর তৎকালীন ওএসডি প্রবী൩র বন্দ্যোপাধ্যায়ের বয়ান শুনে এই অভিযোগ খাড়া করেছে। কিন্তু, অভিযোগের স্বপক্ষে কোনও প্রমাণ দেখাতে পারেনি। তাই এই অভিযোগও ভিত্তিহীন হয়ে যায় শেষমেশ।
পার্থর আইনজীবী আরও বলেন, ২০২২ সাল থেকে এই মামলা চলল𒊎েও হঠাৎ করে একটি প্রার্থীতালিকা উদ্ধার হওয়ার পরই সংশ্লিষ্ট বয়ানটি দেন প্রবীর। তাই, তাঁর এই বয়ানের সত্যাসত্য নিয়েই প্রশ্ন তুলে🦩ছেন পার্থর আইনজীবী।
প্রসঙ্গত, প্র♛াথমিক নিয়োগ দুর্নীতিতে ইডি যে মামলা করেছে, তাতে ইতিমধ্যেই জামিন পেয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়। কিন্তু, সিবিআই-এর করা মামলায় এখনও তাঁর জামিনের আবেদন মঞ্জুর হয়নি।